সর্ব্বদা একই রূপ।’ ‘প্রভুর উপর তোমার ভার অর্পণ কর, তিনি বল দিবেন।’ ‘তিনি জানেন, ভালবাসেন এবং যত্ন করেন।’ নিয়মানুযায়ী প্রার্থনার প্রয়োজন হয় না। আমার ছোট বড় সকল দুঃখের কথা তাঁহাকে বলিলেই হইল। তিনি সর্ব্বদাই প্রস্তুত আছেন, এবং আমার প্রার্থনা শুনিবেন ও তাহা পূর্ণ করিবেন, এইরূপ প্রতিশ্রুতি দিয়াছেন। আমি প্রার্থনার কতকগুলি আশ্চর্য্য উত্তর পাইয়াছি। কোন কোনটার উত্তর খুব তাড়াতাড়ি, আবার কোনটার উত্তর অনেক মাস, এমন কি, অনেক বৎসর প্রতীক্ষার পরও, পাইয়াছি। কখনও আমি যাহা চাহিয়াছিলাম, ঠিক্ তাহাই পাইয়াছি, আবার অনেক সময় তাহ। সম্পূর্ণ ভিন্ন আকারেও আসিয়াছে। কাজেই মাঝে মাঝে আমি ভাবিয়াছি, আমার প্রতি এইরূপ ব্যবহার অতি নিষ্ঠুরতার কার্য্য হইয়াছে। ঈশ্বর কি আমার প্রার্থনা ভুলিয়া গিয়াছেন? কেন আমার জন্য এত দুঃখভোগের বিধান? কু-বুদ্ধি কেমন করিয়া দুর্ব্বলতার সুযোগ গ্রহণ পূর্ব্বক আমাদের চিত্তে এই সমস্ত চিন্তার উদ্রেক করে! আমার মনে হয়, প্রার্থনাপূর্ণ অন্তরে, প্রার্থনার শান্ত উপত্যকায়, ঈশ্বর-চরণে এইরূপ চিন্তাসকল উপস্থিত করাই তাহাদের প্রতিরোধের সর্ব্বশ্রেষ্ঠ এবং একমাত্র উপায়। তিনি আমার সকল দুঃখ বেদনা ও অবসাদের কথা জানেন, এবং অনেক সময় আমার প্রার্থনা পূর্ণ করিলে যে মঙ্গলের পরিবর্তে আমার অমঙ্গলই হইবে, তাহাও জানেন। ‘যাহারা
পাতা:তবুও আমি তাঁহারই উপর নির্ভর করিব - হানা রোসেলি হিগেন্স - মথুরানাথ নন্দী (১৯৩৯).pdf/৬৭
অবয়ব
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।
আরও বাধা বিঘ্ন অতিক্রম
৫৫