বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:তবুও আমি তাঁহারই উপর নির্ভর করিব - হানা রোসেলি হিগেন্স - মথুরানাথ নন্দী (১৯৩৯).pdf/৬৮

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।
৫৬
তবুও আমি তাঁহারই উপর নির্ভর করিব

তাঁহার হাতে নিজেদের সকল ভার ছাড়িয়া দেয়, তিনি তাহাদিগকে তাঁহার সর্ব্বশ্রেষ্ঠ দানই প্রদান করেন।’ তবুও আমি নির্ব্বোধের মতন মনে করিয়াছি, তিনি নিষ্ঠুর, আমাকে ভালবাসেন না, এবং কতবার আমার নিজের ভার তাঁহার উপর ছাড়িয়া দিতে সম্পূর্ণ ইচ্ছুক হই নাই! তিনি বলেন, ‘আমার দৃঢ় বাহুর উপর ভাল করিয়া ভর দেও’। অতীতে অনেক সময় তাঁহার সাহায্য ভিন্ন কাজ করিতে চেষ্টা করিয়া সর্ব্বদাই বিফলমনোরথ হইয়াছি, এবং বুঝিয়াছি যে, আমি সম্পূর্ণ দুর্ব্বল, কিন্তু তাঁহার করুণা সকল সময়েই যথেষ্ট। এখন আমি যীশুকে আঁকড়াইয়া ধরিয়াছি। তাঁহার সাহায্য ভিন্ন কোন বিপদ্ কি দুঃখ আমি এক মুহূর্তের জন্যও বহন করিতে পারি না, এমন কি, মুহূর্ত্তের জন্যও তাহা সহ্য করিতে পারি না। দিবা নিশি সকল সময়ই তাঁহাকে ‘প্রার্থনার শান্ত উপত্যকায়’ পাওয়া যায়।

নিঃসঙ্গ, পরিশ্রান্ত, শোকে জর্জরিত মানব আত্মা তথায় ভ্রমণ করিতে এবং শান্তিলাভ করিতে পারে; অথবা, সেই পবিত্র প্রার্থনার উপত্যকায় জীবন-সংগ্রামের জন্য প্রস্তুত হইতে সমর্থ হয়। অহো, প্রার্থনার শান্ত ও সুমিষ্ট উপত্যকা! সেই উপত্যকা ঐশ্বরিক শান্তির সুগন্ধে ভরপূর।

শোকে ও যন্ত্রণায় কতবার আমি অবসন্ন হইয়া পড়িয়াছি! এইরূপ অবস্থায় আমি প্রার্থনার সাহায্য অবলম্বন করি, এবং আমার দুঃখ পরীক্ষা বহনে ধৈর্য্য প্রাপ্ত হই। একবার