আমি যখন কাহারও বাক্যবাণে বিদ্ধ হইয়াছিলাম, তখন আমার একজন প্রকৃত বন্ধু বলিয়াছিলেন, ‘এই প্রার্থনায় তোমার মনোকষ্ট দূর হইবে—যীশু যেমন প্রার্থনা করিয়াছিলেন তেমনি প্রার্থনা কর, “হে পিতঃ, তাহাদিগকে ক্ষমা কর, কারণ, তাহারা কি করিতেছে তাহা জানে না”।’ কখনও কখনও দেখা যায়, অপরকে আঘাত দিবার যাহাদের কোনও ইচ্ছা নাই, তাহারাই অজ্ঞাতসারে চিন্তাহীন বাক্য ও কর্ম্ম দ্বারা অপরের কি গভীর মনোবেদনার কারণ হয়! আমি সত্যভাবে প্রমাণ পাইয়াছি, কেমন করিয়া এইরূপ প্রার্থনা করা মাত্রই মনোবেদনা দূর হইয়া যায়। যীশু তাঁহার শত্রুদের জন্য প্রার্থনা করিয়াছেন, কিন্তু আমাদের মধ্যে কদাচিৎ কেহ সেইরূপ সর্ব্বান্তঃকরণে তাহা করিতে পারে; যাহাদিগকে আমরা ভালবাসি, অথবা যাহাদের প্রতি আমরা অনুরক্ত, তাহাদের জন্যই আমরা প্রার্থনা করিতে পারি। এইরূপ প্রার্থনায় সত্যই আনন্দ আছে। কিন্তু, যাহারা আমাদিগকে নির্যাতন করে, অথবা কষ্ট দেয়, তাহাদের জন্য আমরা কতবার প্রার্থনা করি?
পাতা:তবুও আমি তাঁহারই উপর নির্ভর করিব - হানা রোসেলি হিগেন্স - মথুরানাথ নন্দী (১৯৩৯).pdf/৬৯
অবয়ব
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।
আরও বাধা বিঘ্ন অতিক্রম
৫৭