ভূমিকা
মেলবোর্ণ নগরে বাস করিবার সময়ে কুমারী হিগেন্সের (Miss Higgens) সঙ্গে আমার পরিচিত হইবার সৌভাগ্য হইয়াছিল। উক্ত কারণেই এই ক্ষুদ্র পুস্তক খানি ইংলণ্ডবাসী বন্ধুবর্গের নিকট সুপরিচিত করিয়া দিবার জন্য আমি অনুরুদ্ধ হইয়াছি।
তাঁহার কথা স্মরণ করিলেই, আমার সূর্য্য-কিরণের কথা মনে হয়, পরন্তু মেঘের কথা নহে। যথার্থতঃ প্রভু যীশুর আনন্দই তাঁহার শক্তির মূল। তাহা সত্ত্বেও, তিনি অনেক শারীরিক ক্লেশ সহ্য করিয়াছেন, এবং এখনও করিতেছেন। কোন মানুষের দুইটি বাহু ও একখানা পা কর্ত্তিত হইয়াছে, এইরূপ ঘটনা সংসারে অতি বিরল। এইরূপ জীবনের কহিনীগুলি কৃপার কাহিনী। দুরারোগ্য রোগে যাহারা পঙ্গু, তাহাদের পক্ষে ইহা আশাপ্রদ। এইরূপ ব্যাধিগ্রস্ত কোনও ব্যক্তি সহজেই বলিতে পারিত, ‘আমার কর্ম্ম শেষ হইয়াছে’। কিন্তু, তিনি তাঁহার পঙ্গু দেহ এবং ক্লেশকর রোগশয্যা হইতেও অনেকের সহায়স্বরূপ হইয়াছেন।
কুমারী হিগেন্স্ তাঁহার শিক্ষকের চিঠির ফলেই যীশুর শরণাপন্ন হইয়াছিলেন। তিনি নিজেও অল্প সময়ের জন্য রবিবাসরীয় বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করিয়াছিলেন, এবং তাঁহার ছাত্রীদের মধ্যে তিন জন এখনও শিক্ষা কার্য্যে ব্রতী আছেন। এই সকল কথা রবিবাসরীয় বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের পক্ষে উৎসাহজনক।
এখন যখন এই ক্ষুদ্র প্রাণস্পর্শী কাহিনীটি মানব সমাজে প্রচারিত হইল, তখন প্রার্থনা এই যে, যিনি লেখিকাকে তাঁহার অনেক