৷৷৶৹
দুর্ব্বল মুহূর্ত্তে বল বিধান করিয়াছেন, তাঁহারই করুণাতে ইহার প্রত্যেক পাঠকের চিত্ত যেন প্রচুর আনন্দ সান্ত্বনায় পূর্ণ হইয়া উঠে।
এই অদ্ভুত হৃদয়গ্রাহী আত্মজীবনীখানির একটি ছোট ভূমিকা লিখিবার জন্য আমি অনুরুদ্ধ হইয়াছি, এবং অত্যন্ত আনন্দের সহিত আমি সেই কার্য্য সম্পন্ন করিতেছি।
পঁচিশ বৎসরের অধিক কাল হইতে আমি কুমারী হিগেন্স্কে জানি। তিনি তাঁহার মাতা পিতা ও ভগ্নীদের সঙ্গে বহু বৎসর আমার ভজনালয়ের উপাসনায় যোগদান করিয়াছিলেন। বালিকা বয়সে তিনি আমার জেষ্ঠা কন্যা কর্ত্তৃক পরিচালিত রবিবাসরীয় বিদ্যালয়ের ছাত্রী ছিলেন; এবং তিনি যে তাহার সনির্ব্বন্ধ অনুরোধেই যীশুর শরণাপন্ন হইয়াছিলেন, তাহা বিবৃত করিয়াছেন। ১৮৮৭ খৃষ্টাব্দের ১৭ই জুন প্রভুর ভোজে বসিয়া তিনি প্রকাশ্যভাবে তাঁহার বিশ্বাস ব্যক্ত করিয়াছিলেন।
এই সময়ের পূর্ব্ব হইতেই তাঁহার দক্ষিণ হস্তে সেই অজ্ঞাত ব্যাধির সূত্রপাত হয়, যাহা চিকিৎসকগণের সকল চেষ্টা ব্যর্থ করিয়া তাঁহার দারুণ বেদনার কারণ হইয়াছিল। তাঁহার মতন যন্ত্রণাভোগ অতি অল্প লোকের জীবনেই ঘটিয়াছে। রোগবৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গেই তাঁহাকে ক্লেশকর অস্ত্র-প্রয়োগের অধীন হইতে হইয়াছিল। তাঁহার দক্ষিণ হস্ত,—কনুইর নীচ পর্য্যন্ত—তাহার কিছুকাল পরে, তাঁহার বাম পদ কাটিয়া ফেলিতে হইয়াছিল। তৎপরে, তাঁহার বাম হস্তেও সেই ব্যাধি দেখা