বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:তবুও আমি তাঁহারই উপর নির্ভর করিব - হানা রোসেলি হিগেন্স - মথুরানাথ নন্দী (১৯৩৯).pdf/৮৪

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।
৭২
তবুও আমি তাঁহারই উপর নির্ভর করিব

 আমি শারীরিক যন্ত্রণা ধীর ভাবে বহন করিবার জন্য বহু বৎসর যে সংগ্রাম করিয়া আসিতেছি, তাহা পরিত্যাগ করিবার জন্য অনেক বার আমার চিত্তে কুবুদ্ধি জাগ্রত হইয়া আমাকে প্রলুব্ধ করিয়াছে, এবং তীব্র যাতনায় আর্ত্তনাদ করিতে বলিয়াছে। কিন্তু, আমি যীশুকে তাহা বলিয়াছি, এবং তাঁহার বল ভিক্ষা করিয়াছি; তিনি আমার প্রার্থনা পূর্ণ করিয়াছেন, এবং জাগ্রত অবস্থায় ধীরভাবে বেদনা বহনের শক্তি দিয়াছেন,—যদিও নিদ্রিত অবস্থায় আমি আর্তনাদ করি বলিয়া অপরের নিকট হইতে শুনিয়াছি। সময় সময় আমি বিষাদগ্রস্ত হইয়াছি, শারীরিক দুঃখের জন্য ততটা নহে, যতটা অন্যান্য কষ্টের জন্য; কিন্তু আমি কখনও পরিত্যক্ত হই নাই,—না, এক মুহূর্ত্তের জন্যও নহে। ‘ঈশ্বরের সমস্ত আশ্বাস-বাক্য সত্য, এবং তাহাতেই স্বস্তি!’ তাঁহার আশ্বাস-বাক্য কখনও বিফল হয় না। ‘আমি তোমাকে কখনও অভাবগ্রস্ত করিব না, অথবা তোমাকে পরিত্যাগ করিব না।’ (Josh. I. 5)

 রাত্রির গভীরতম অন্ধকার প্রভাতের পূর্ব্বাভাস সূচনা করে। খুব কালো মেঘ চারিদিকে আকাশ আচ্ছন্ন করিয়াছিল, এবং কিছু সময়ের জন্য একটু আলোকের রেখাও দেখা যাইতেছিল না। কিন্তু, একদিন আমি যখন বিশেষ বিপদে পথ নির্দ্দেশের জন্য প্রার্থনা করিতেছিলাম, তখন এই কয় ছত্র কবিতা আমার মনে হইয়াছিল।