আমাদের সকল আশঙ্কা হইতে বাস্তবিকই তিনি অধিকতর সদয় ছিলেন। ‘ঈশ্বরের সকল নিয়মই নিখুঁত।’ ‘কোন বিষয়ে উদ্বিগ্ন হইও না, কিন্তু সকল বিষয়েই কৃতজ্ঞচিত্তে প্রার্থনা এবং যাচ্ঞা দ্বারা তোমার অনুরোধ ঈশ্বরকে জানাও।’ (Phil. iv. 6)
এই সময় ঈশ্বরকে আমার বিশেষ অনুরোধ জানাইতে হইয়াছিল। আমার পা খানার অবস্থা খুব খারাপ হইয়া পড়িয়াছিল, এবং তাহা রক্ষা করিবার সম্ভাবনা অতি অল্পই ছিল। আমার মস্তিষ্কের অবস্থাও কয়েক মাস ধরিয়া ভাল যাইতেছিল না, বড় কষ্ট পাইতেছিলাম। আমি ঈশ্বরের নিকট প্রার্থনা করিয়াছিলাম, আমার পা খানা বাঁচাইবার জন্য আমার হিতৈষী চিকিৎসক যে-সকল উপায় অবলম্বন করিতেছেন, তদুপরি যেন তাঁহার শুভাশীর্ব্বাদ বর্ষিত হয়, এবং আমার চৈতন্য যেন অক্ষুণ্ণ থাকে। আমার এই প্রার্থনা পূর্ণ হইয়াছিল! কোনও প্রকার অস্ত্র-প্রয়োগ ভিন্ন কখনও আমার এত দীর্ঘ কাল কাটে নাই, এবং প্রায় দুই বৎসর আমার চৈতন্য বিলুপ্ত হয় নাই। ইহা আমার পক্ষে বিস্ময়কর, এবং ডাক্তার ‘বি’র পক্ষে বিজয়-বার্ত্তা। ডাক্তার ‘বি’ আমার বিশ্বস্ত বন্ধু এবং আমার সূর্য্যালোক। এখনও যথাসম্ভব সর্ব্বপ্রকারে আমাকে আমার দুঃখ বহন করিতে, এবং আমি যাহাতে নিত্য প্রমাণ করিতে সমর্থ হই যে, ঈশ্বর আমার প্রার্থনা শ্রবণ ও তাহার উত্তর প্রদান করেন,