বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:তবুও আমি তাঁহারই উপর নির্ভর করিব - হানা রোসেলি হিগেন্স - মথুরানাথ নন্দী (১৯৩৯).pdf/৯২

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।
৮০
তবুও আমি তাঁহারই উপর নির্ভর করিব

খুব ইচ্ছুক হইলেও, সকল সময় তাহা করা তাঁহাদের পক্ষে সম্ভবপর বা সুবিধাজনক হয় না। তাঁহারা সকল সময় আমাদের সঙ্গে থাকিতে পারেন না। কিন্তু আমাদের মুক্তিদাতার সেই ইচ্ছা এবং সামর্থ্য দুই-ই আছে। তিনি সকল সময়েই আমাদের খুব নিকটে। আমি রাত্রির নীরবতায় যীশুর সঙ্গে কথা বলিতে ভালবাসি। একাকী তাঁহার সঙ্গ করিয়া, আমি অনেক সময় তাঁহার হাতের কোমল স্পর্শ অনুভব করিয়াছি। সেই স্পর্শ খুব সত্য, এবং আশ্চর্য্যরূপে আমার সকল দুঃখ শান্ত করিয়াছে। ‘যখন তিনি শান্তি প্রদান করেন, তখন কে আর উদ্বেগের সৃষ্টি করিতে পারে?’ (John xxxiv. 29).

 আমার মনের বড় সাধ, সকল পঙ্গুরাই জীবনের অভিজ্ঞতায় জানুক যে, যীশু তাহাদের কেমন সান্ত্বনা-দাতা। দুঃখ ও উদ্বেগের মাত্রা যত বেশী হয়, ততই তিনি কাছে আসিয়া, অধিকতর আগ্রহের সহিত, উত্যক্ত চিত্ত ‘শান্ত হউক’, বলিয়া আমাদিগকে সাহায্য করেন। কি আশ্চর্য্যজনক মুক্তিদাতা! প্রফুল্লতাও একটি মহাপ্রসাদ! ইহা প্রতিবেশীদের নিকট আমাদের দেয়। যদি আপদে বিপদে আমরা শুধু বিরক্ত ও উত্যক্ত হইয়া হা হতোস্মি করি, তাহা হইলে তাহাতে শুধু আমরাই যে অসুখী হই, তাহা নহে, পরন্তু তাপরকেও অসুখী করি। খ্রীষ্টও নিজেকে সন্তুষ্ট করিতে পারেন নাই। তাঁহার মতন দুঃখ কি আর কাহারও ছিল। কিন্তু, তাহা