বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:তবুও আমি তাঁহারই উপর নির্ভর করিব - হানা রোসেলি হিগেন্স - মথুরানাথ নন্দী (১৯৩৯).pdf/৯৩

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।
চলচ্ছক্তিহীন রোগীদের (Invalids) প্রতি আমার বাণী
৮১

সত্ত্বেও তিনি ইচ্ছা করিতেন, যেন অপরকে সুখী করিতে পারেন। কত বার তিনি তাঁহার শিষ্যদিগকে বলিতেন, ‘খুব প্রফুল্লিত হও’, ‘আনন্দ কর’! আমাদের সর্ব্বদাই ঈশ্বরে আনন্দিত হওয়া উচিত; কিন্তু আত্মশক্তিতে তাহা সম্ভবপর হয় না। সাধু ‘জন’ বলেন, ‘আমি খ্রীষ্টের সাহায্যে তাঁহার শক্তিতে শক্তিশালী হইয়া সকল কর্ম্মই করিতে পারি। (Phil. iv. 13).। আমি পরীক্ষা দ্বারা জানিয়াছি, সকল বিষয়ের ভাল দিকটা দেখিয়া আনন্দিত এবং সন্তুষ্ট থাকা কি পরম সৌভাগ্যের বিষয়! সর্ব্বাপেক্ষা ভারী বোঝাও কত লঘু এবং সহজে বহনীয় বলিয়া মনে হয়! প্রেমময় পিতার হস্ত হইতে গ্রহণ করিলে প্রত্যেকটি দুঃখ, বিপদ্ ও যাতনা আমাদের মহা কল্যাণরূপে পরিণত হইবে। পৃথিবীতে যীশুর প্রেমে যদি আমরা দুঃখ কষ্ট বহন না করি, তাহা হইলে স্বর্গের মুকুট হইতে আমরা বঞ্চিত থাকিব। ‘আমার মঙ্গলের জন্যই আমি ক্লিষ্ট হইয়াছি, যাহাতে তোমার বিধি কি তাহা আমি বুঝিতে সমর্থ হইব’ (Psalm cxix. 17)। আমি নিদারুণ বেদনায় ক্লিষ্ট হইয়াছি, এবং নানাবিধ বহু দুঃখ বিপদ্‌ও আমার উপর দিয়া চলিয়া গিয়াছে, কিন্তু এই সকল পরীক্ষার মধ্যেও অন্তর আমার একটা গূঢ় শান্তিতে পূর্ণ আছে। সংসার এই শান্তির খবর জানে না, শান্তি দিতেও পারে না। আমি সমস্ত জীবন করুণা ও মঙ্গলের স্রোতে ভাসিয়া চলিয়াছি, এবং অচিরেই আমি আমার প্রভুর গৃহে