বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:তবুও আমি তাঁহারই উপর নির্ভর করিব - হানা রোসেলি হিগেন্স - মথুরানাথ নন্দী (১৯৩৯).pdf/৯৬

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।
৮৪
তবুও আমি তাঁহারই উপর নির্ভর করিব

ভগবানের সঙ্গীত শিক্ষাদান

 ‘সংসার-বিমুক্ত এক লক্ষ চুয়াল্লিশ হাজার লোক ভিন্ন অপর কোন মানুষই এই সঙ্গীত শিক্ষা করিতে পারিল না।’— Rev. xiv,3.

 এমন কতকগুলি সঙ্গীত আছে, যাহা শুধু উপত্যকাভূমিতেই (দুঃখের দিনেই) শিক্ষা করিতে পারা যায়। কোনও কলা সেই সকল শিক্ষা দিতে, ও কোন সঙ্গীত-বিশারদ তাহা প্রকাশ করিতে, সমর্থ নহে, এবং সুরের কোন নিয়মের সহায়তায় তাহা বিশুদ্ধভাবে গীত হইতে পারে না। সেই সকল গানের স্বর-মাধুর্য্য অন্তঃকরণে। তাহারা স্মৃতির ও ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার সঙ্গীত। অতীতের অন্ধকারময় দুঃখে সঙ্গীতের মূল ভাব উৎপন্ন হয়; দুঃখ ক্লেশ হইতে তাহারা অতীতের পক্ষে ভর করিয়া ঊর্দ্ধে উত্থিত হয়। যে জাতি নির্ব্বাসনের দুঃখ ভোগ করে নাই,তাহাদের পক্ষে কি স্ক‌ট্‌লণ্ডদেশীয় সঙ্গীত ‘হায় কেন আমি আমার দেশ পরিত্যাগ করিয়াছিলাম’ গান করা সম্ভবপর? যে-সকল দুঃখ বিপদ্ নির্ব্বাসিতদিগকে অনেক সাগর পার হইয়া চলিতে বাধ্য করিয়াছিল, একমাত্র তাহাদের স্মৃতি হইতেই এইরূপ সঙ্গীত উত্থিত হইতে পারে। সাধু ‘জন’ বলেন, স্বর্গেও এমন একটি সঙ্গীত গীত হইবে, যাহা শুধু ইহলোকের মনুষ্যদের দ্বারাই পূর্ণভাবে গীত হইতে পারিবে—ইহা মুক্তির গান। ইহা সুনিশ্চিত যে, ইহা একটি বিজয়ের গান— যীশু, যিনি আমাদিগকে মুক্ত করিয়াছেন, তাঁহার বিজয়–