পাতা:তাসের দেশ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৩০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


छ्ठौश्च गृश्] প্রসাধনে রত ইস্কাবনী । টেক্কানীর প্রবেশ १iांन টেক্কানী । বলো সখী, বলে তারি নাম অামার কানে কানে যে নাম বাজে তোমার প্রাণের বীণার তানে তানে । বসন্তবাতাসে বনবীথিকায় সে নাম মিলে যাবে বিরহী বিহঙ্গ-কলগীতিকায়, সে নাম মদির হবে যে বকুলম্রাণে । নাহয় সখীদের মুখে মুখে সে নাম দোলা খাবে সকৌতুকে । পুর্ণিমারাতে এক যবে অকারণে মন উতলা হবে সে নাম শুনাইব গানে গানে ॥ ইস্কাবনী । ভাই, এ কী হল বলে তো এই তাসের দেশে। ঐ বিদেশীরা কী খ্যাপামির হাওয়া নিয়ে এল । মনটা কেবলই টলমল করছে । টেক্কানী। ই ভাই ইস্কাবনী, আর তু দিন আগে কে জানত, তাসের আপন জাত খুইয়ে ঠিক যেন মামুষের মতো চাল-চলন ধরবে। ছি ছি, কী লজ্জা । ইস্কাবনী । বলো ভো, ভাই, মামুষপনা – এ যে অনাচার। এ কিন্তু শুরু করেছে তোমাদের ঐ হরতনী । দেখিস নি ? আজকাল ওর চলন ঠিক থাকে না, একেবারে হুবহু মানুষের ভঙ্গী। কার পাশে কখন দাড়াতে হবে তারও সমস্ত ভুল হয়ে যায়, পাড়ায় টি টি পড়ে গেছে । তাসের দেশের নাম ডোবালে । চি ড়েতনীয় প্রবেশ চিড়েতনী । কী গো টেক্কাঠাকরুন, শুনেছি আমাদের নিন্দে রটিয়ে বেড়াচ্ছ । বলছ, আমরা আচার খুইয়ে, ওঠবার বেলায় বসি, বসবার বেলায় উঠি । रेb*