পাতা:তাসের দেশ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৩৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


দহলা । সর্বনাশ । আকাশে গান ! এবার মজল তাসের দেশ । আর এখানে नग्न | প্রেস্থান ছক্ক।। সুন্দরী, তুমিই আমাদের পথ দেখাও । পঞ্জা । অশাস্তিমন্ত্র পেয়েছ তুমি, সেই মন্ত্র দাও আমাদের । হরতনী । বিধাতার ধিক্কারের মধ্যে আছি আমরা, মূঢ়তার অপমানে। চলো, বেরিয়ে পড়ি । ছক্কা । একটু নড়লেই যে ওরা দোষ ধরে, বলে ‘অশুচি । হরতনী । দোষ হয় হোক, কিন্তু মরে থাকার মতো অশুচিত নেই । ॐ ईtन ইস্কাবনী ও টেক্কানী ফুল তুলছে টেক্কানী । ঐ-রে, দহলানী এসেছে । আর রক্ষে নেই । দহলানীর প্রবেশ দহলানী । লুকোচ্ছ কোথায় । কে গো, চেনা যায় না যে ! এ-যে আমাদের টেক্কানী । আর, উনি কে, উনি যে আমাদের ইস্কাবনী । মরে যাই । কী ছিরি করেছ ! মানুষ সেজেছ বুঝি ? লজ্জা নেই ? টেক্কানী । সাজি নি, দৈবাৎ সাজ খসে পড়েছে । দহলানী । তাসের দেশের বন্ধন তাট বন্ধন – হাজার বছরের হাজার গিরে দেওয়া, খসে পড়ল ? কাণ্ডট। ঘটল কী করে । ইস্কাবনী । একটা হাওয়া দিয়েছিল । দহলানী । ওমা, কী বলে গো ! তাসের দেশের হাওয়ায় বাধন ছেড়ে । আমাদের পবনদেবের নামে এতবড়ো বদনাম । বলি এ কি মেলেচ্ছ দেশ পেয়েছ, যেখানে একটু হাওয়া দিলেই গাছের শুকনো পাতা খসে উড়ে যায় । ইস্কাবনী । স্বচক্ষেই দেখো-না দিদি, কী বদল ঘটিয়েছেন আমাদের পবনদেব ! দহলানী । দেখো, ছোটো মুখে বড়ো কথা ভালো নয়। আমাদের সনাতন পবনদেব ! তবে কিনা পুথিতে লিখছে র্তার এক মহাবীর পুত্র আছেন, তিনি নাকি লম্বা লম্বা লম্ফ দিয়ে বেড়ান। হয়তো-বা তিনিই ভর করেছেন তোমাদের পরে । টেক্কানী। কেবল আমাদের খোট। দিচ্ছ কেন। এখনো চোখে বুঝি পড়ে নি ? \S)"