I am going to print a plain edition of Tilottama. I wish to try and improve the text. The versification in many places is rather defective. A demand for that work is also increasing daily. You must wait for an edition with notes. Let the text be settled first. ‘জীবন-চরিত', পৃ. ৪৮২-৮৩
[তিলোত্তমার একটা সাধারণ সংস্করণ বাহির করিতেছি। মূলের কিছু সংস্কারের চেষ্টায় আছি। অনেক স্থলে ছন্দের ত্রুটি নজরে পড়িতেছে। এই কাব্যের চাহিদা প্রতিদিনই বাড়িতেছে। টীকা-সম্বলিত একটি সংস্করণের অবকাশ আছে। প্রথমে মূল পাঠ ঠিক হউক।]
...We are reprinting Tilottama and to tell you the candid truth I find the versification very kancha in many many places, I shall make quite a different thing of the Nymph. Don't fear I shall spoil her.—‘জীবন-চরিত', পৃ. ৪৯১।
[তিলোত্তমা পুনর্মুদ্রিত করিতেছি, তোমাকে যদি খাঁটি সত্য বলি তাহা হইলে স্বীকার করিব, এই কাব্যের রচনা বহু স্থলে অত্যন্ত কাঁচা মনে হইতেছে। অপ্সরীকে একেবারে ঢালিয়া সাজিব। ভয় পাইও না, মাটি করিব না।]
দ্বিতীয় সংস্করণ প্রকাশের পর মধুসূদন রাজনারায়ণকে লেখেন—
...Tilottama has been beautifully reprinted, and I hope considerably improved in a literary point of view. I can only undertake to say that the versification is decidedly better, you will have & copy soon.—‘জীবন-চরিত’, পৃ. ৫২৫।
[তিলোত্তমা চমৎকার ভাবে পুনর্মুদ্রিত হইয়াছে এবং আমি আশা করিতেছি, সাহিত্যের দিক্ দিয়া প্রভূত উৎকর্ষলাভ করিয়াছে। আমি এইটুকু মাত্র বলিতে পারি যে, রচনা নিঃসংশয়ে উন্নতি লাভ করিয়াছে। তুমি শীঘ্রই এক খণ্ড বই পাইবে।]
ইহার পর ফ্রান্সে অবস্থানকালে মধুসূদন আবার নূতন করিয়া ‘তিলোত্তমাসম্ভব’ লিখিতে আরম্ভ করিয়াছিলেন; কিন্তু প্রথম সর্গের কয়েক পংক্তির অধিক অগ্রসর হইতে পারেন নাই। সেই পুনর্লিখিত অংশটি পরিশিষ্টে মুদ্রিত হইয়াছে।
তৃতীয় সংস্করণ দ্বিতীয় সংস্করণেরই প্রায় পুনর্মুদ্রণ; দুই-একটি স্থলে সামান্য পরিবর্ত্তন ঘটিয়াছে। ইহা চুঁচুড়ায় মুদ্রিত এবং কাশীনাথ দত্ত কর্ত্তৃক প্রকাশিত হয়; আখ্যা-পত্রে প্রকাশকাল নাই, পৃষ্ঠা সংখ্যা ১০০। বেঙ্গল লাইব্রেরির পুস্তক-তালিকায় ইহার প্রকাশকাল “১৩ সেপ্টেম্বর ১৮৭০” দেওয়া আছে।