বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:দার্জ্জিলিঙ্গ-প্রবাসীর পত্র - তারাপদ বন্দ্যোপাধ্যায় (১৮৯৫).djvu/১৬

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।
দার্জ্জিলিঙ্গ-প্রবাসীর পত্র।

ণের পূর্ব্বে ‘হিল কার্ট রোড’ নামক রাস্তা অবলম্বন করিয়া লোকে, টোঙ্গা ও গো-মহিষাদির শকট আরোহণে দার্জ্জিলিঙ্গ গমন করিত। সে রাস্তাটী এখনও বর্ত্তমান আছে ও পাহাড়িয়াদিগের দ্বারা ব্যবহৃত হয়। ঐ রাস্তার প্রায় সমসূত্রে রেলপথ গমন করিয়াছে।[] শিলিগুড়ি হইতে সুকনা ষ্টেশন পর্য্যন্ত সাত মাইল সমতল ভূমি। গাড়ী ভয়ানকরূপে নড়িতে নড়িতে চলিল। সুকনা, হিমালয় পর্বতের নিম্নভাগ। সমগ্র ভারতবর্ষের উত্তরে হিমালয় পর্বতশ্রেণী অবস্থিত। বিহার প্রদেশের উত্তর-পশ্চিম কোণ হইতে আসাম প্রদেশের দক্ষিণ-পূর্ব্ব কোণ পর্য্যন্ত এই পর্ব্বতের পূর্ব্বাংশ বিস্তৃত আছে। এই অংশ ৮০০ মাইল দীর্ঘ ও ১৪০ মাইল প্রশস্ত, এবং ইহাতেই নেপাল, সিকিম, তিব্বত ও ভূটান দেশ। বোধ হয় আপনি অবগত আছেন যে, ঈদৃশ উচ্চ পর্বত পৃথি-


  1. যদিও বহু কষ্টে এই পথ নির্ম্মিত হইয়াছে, কিন্তু এতদ্বারা মালিকগণের ক্ষতি হয় নাই। দার্জিলিঙ্গ-হিমালয় রেলওয়ে কোম্পানির মূলধন ৩১ লক্ষ টাকা। ১৮৯২ সালে উক্ত কোম্পানি ২,৬৬,৬৪৭ টাকা লাভ প্রাপ্ত হন। অর্থাৎ তাঁহারা শতকরা ৮॥০ টাকা হিসাবে সুদ পাইয়াছিলেন।