বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:দার্জ্জিলিঙ্গ-প্রবাসীর পত্র - তারাপদ বন্দ্যোপাধ্যায় (১৮৯৫).djvu/২৫

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।
১৪
দার্জ্জিলিঙ্গ-প্রবাসীর পত্র।

দার্জ্জিলিঙ্গের ঐতিহাসিক বৃত্তান্ত।

 দার্জ্জিলিঙ্গের ঐতিহাসিক বৃত্তান্ত সম্বন্ধে দুই চারি কথা আপনার গোচর করিতেছি। যাহা লিখিতেছি, তাহা ইতিহাস-পাঠকমাত্রেই অবগত আছেন; কিন্তু স্বত্বের পরিচয় না দিলে আর্জ্জি অস্পষ্টতাদোষাশ্রিত হয় এবং উকীল লেখকের রচনায় এপ্রকার দোষ মার্জ্জনীয় নহে; তজ্জন্য, যে প্রকারে এই জেলাটী ইংরেজ-করতলস্থ হইয়াছে, তাহার সঙ্ক্ষিপ্ত বিবরণ লিপিবদ্ধ করিতেছি।

 দার্জ্জিলিঙ্গের প্রাচীন নাম ‘দর্জ্জেলোমা’। দৰ্জ্জে বলিয়া এক জন লামা এই স্থানে বাস করিতেন। তাহার অসাধারণ ক্ষমতা ছিল বলিয়া ভুটিয়ারা তাঁহাকে বিশেষ ভক্তি করিত, এখনও দেবতা বলিয়া বিশ্বাস করে। এখানকার কাছারির অনতিদূরে একটী গুম্ফা (পর্ব্বতগুহা) আছে, ভুটিয়ারা তথায় মধ্যে মধ্যে সমবেত হয় এবং মহাকালের উপাসনা করে। সন্ন্যাসীরাও তথায় সময়বিশেষে আগমন করেন। ভুটিয়ারা বলে যে, ঐ গুম্ফা দিয়া তিব্বতের রাজধানী লাসা নগরী পর্য্যন্ত যাওয়া যায় এবং লামাগণ মধ্যে মধ্যে