পুলকিত হইলাম। সৌধমালায়, বিভূষিত হইয়া নগরটা কি মনোরমই দেখাইতেছিল! অনৃজু গিরিশৃঙ্গ-গাত্রে উপর্য্যুপরি শ্রেণীবদ্ধ সুগঠিত হর্ম্ম্যমালা ও বক্রগতি বর্ত্মাদি অতীব আশ্চর্য্য দৃশ্য। আমার কবিত্ব নাই, রচনাশক্তি নাই। এ দুর্ব্বল লেখনী এ দৃশ্য বর্ণনা করিয়া আপনাকে বুঝাইতে অক্ষম। একবার এ দেশে আগমন করুন, স্বচক্ষে দেখুন, বুঝিবেন দার্জ্জিলিঙ্গ কি অপূর্ব্ব স্থান! ইহাকে দেব-নিবাস বলিলেও অত্যুক্তি হয় না। ক্রমে পাহাড়ের উপরে উঠিলাম। সৈন্য-নিবাস নয়নগোচর হইল। সৈন্যদিগের বাসের জন্য এখানে বহু উৎকৃষ্ট অট্টালিকা সরকারী ব্যয়ে, অর্থাৎ বঙ্গপ্রদেশ-নিবাসীর অর্থে, নির্ম্মিত হইয়াছে। সৈন্যের বাহুবলে এই বিশাল ভারত-রাজ্য অর্জ্জিত ও স্থাপিত হইয়াছে, সৈন্যের বাহুবলেই ইহা রক্ষিত ও শাসিত হইতেছে; সৈন্যের স্বাস্থ্য-রক্ষণ ও বর্দ্ধন জন্য আমাদের গবর্ণমেণ্ট কর্তৃক সর্ব্বপ্রকার উপায় অবলম্বিত হওয়া বিচিত্র নহে। যাঁহারা সৈন্য-সম্বন্ধীয় ব্যয়ে আপত্তি করেন, তাঁহারা অদূরদর্শী ও স্বার্থপর। সুতরাং সৈন্য-নিবাস দেখিয়া সন্তুষ্ট হইলাম। পূর্ব্বাহ্ণ ১০ টার সময়ে এখানে উপ-
৪