বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:দার্জ্জিলিঙ্গ-প্রবাসীর পত্র - তারাপদ বন্দ্যোপাধ্যায় (১৮৯৫).djvu/৪০

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।
মহাকাল পাহাড়।
২৯

প্রোথিত আছে। ভুটিয়ারা বলে যে, এই স্থানে শিবের বিবাহ হয় এবং ত্রিশূলটী তাঁহার হস্তে ছিল। এ স্থানটী অতি পবিত্র। এখানে একটী গুম্ফা আছে। কিয়দ্দূর নামিয়া গুম্ফাটী দর্শন করিলাম। পূব পত্রে এই গুম্ফার বিষয় উল্লেখ করিয়াছি। যোগি-গুরু মহাদেব এ প্রদেশে যে অবস্থিতি করিতেন এবং তিনি যে একজন কবি-কপোল-কল্পিত ব্যক্তি ছিলেন না, তাহার ভূরি ভূরি প্রমাণ পাওয়া যায়। পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্ব্বত-শৃঙ্গ এভারেষ্টের অপর নাম গৌরীশিখর। দার্জ্জিলিঙ্গের পশ্চিমে শিঙ্গালিলা নামক যে পর্ব্বতশ্রেণী দেখা যায়, গৌরীশিখর তাহারই উপরিস্থিত। তিব্বতে এক পর্ব্বতমালা আছে, তাহাকে কপর্দ্দ বা ‘শিবজটা’ বলে। ‘শিবলা-সঙ্কট’ নামেও একটী পর্ব্বত আছে। নামগুলি শুনিলেই বুঝা যায় যে, মহাদেব ও পাবতীর নামে এই সমস্ত পর্ব্বত অভিহিত হইয়াছে। বুদ্ধধর্ম্ম প্রচারিত হইবার পূর্ব্বে এ দেশে শৈব ধর্ম্ম প্রচলিত ছিল। এখনও লেপ্‌চারা মহাদেবকে ‘চিরেনজি’ নামে উপাসনা করে এবং বলে যে তাঁহার স্ত্রীর নাম ‘উমা দেবা’। মেচ জাতিও শিবের উপাসক। তাহারা শিবকে ‘বথো’ বলে। কেহ কেহ মহাকাল