ভুটিয়াবস্তি।
১৯শে জুন মঙ্গলবার—প্রাতেই ভুটিয়াবস্তি দর্শনোদ্দেশে গমন করিলাম। স্থানটী নিম্ন, কিন্তু দেখিবার যোগ্য। ভুটিয়ারা তথায় রাস করে। তাহাদের বাসগৃহ অতি সামান্য এবং অপরিষ্কৃত। এ জাতির আচার ব্যবহারাদির কথা পরে বলিব। একটী কাষ্ঠনির্ম্মিত দ্বিতল বুদ্ধ-মন্দির দেখিলাম। মন্দির-মধ্যে তিনটী দেবমূর্ত্তি আছে। মধ্যস্থিত মূর্তির নাম ‘বুদ্ধদেও’ বা আদিবুদ্ধ। আদিবুদ্ধের বামে শাক্যসিংহের মূর্ত্তি। ইনি কলির বুদ্ধ। দক্ষিণের মূর্ত্তিটীর নাম শুনিয়াছিলাম, ভুলিয়া গিয়াছি। প্রতিমূর্ত্তিত্রয়ের সম্মুখে পঞ্চমুখ মহাদেবের মূর্ত্তি। তথায় একটী দীপ জ্বলিতেছিল; ভুটিয়ারী বলে যে উহা আপনা হইতেই প্রজ্বলিত ও নির্বাপিত হয়। ভোট (তিব্বতীয়) ভাষায় লিখিত অনেকগুলি ধর্ম্মপুস্তক তথায় আছে; মন্দিরের পুরোহিত বা লামা মহাশয়কে তদ্বিষয়ে জিজ্ঞাসা করিলাম, কিন্তু তিনি বিশেষ কিছু বলিতে পারিলেন না। বুদ্ধধর্ম্ম-সম্বন্ধে পুরোহিত মহাশয়কে অনেক কথা জিজ্ঞাসা করিলাম; তাঁহার উত্তর শুনিয়া বুঝিলাম
৫