বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:দার্জ্জিলিঙ্গ-প্রবাসীর পত্র - তারাপদ বন্দ্যোপাধ্যায় (১৮৯৫).djvu/৪৮

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।
রঙ্গীত নদী।
৩৭

তিস্তা নদীর উপর লৌহ-সেতু প্রস্তুত হইয়াছে; এবং গন্‌টুক নগরে দুই কোম্পানী পদাতিক ইংরেজ সৈন্য এবং নাটঙ্গ নগরে এক কোম্পানী অশ্বারোহী সৈন্য শান্তিরক্ষার্থ স্থাপিত হইয়াছে। ভবিষ্যতে শিকিমের অদৃষ্টে যাহা ঘটিবে, তাহা ঈশ্বরই জানেন।

রঙ্গীত নদী।

 লিবঙ্গ হইতে দেখিলাম, দূরে রঙ্গীত নদী প্রবাহিত হইতেছে। শিকিমরাজ ১৮৩৫ সালে যে পার্বতীয় প্রদেশ ইংরেজদিগকে দান করেন, তাহার উত্তর সীমা এই রঙ্গীত নদী। ভুটিয়ারা ইহাকে পবিত্র জ্ঞান করে। ইহার জল বড়ই সুশীতল। দার্জ্জিলিঙ্গ হইতে নয় ক্রোশ দূরে এই নদী তিস্তা নদীর সহিত মিলিত হইয়াছে। অনেকগুলি নির্ঝর দেখিলাম। বর্ষাকালে সহস্র সহস্র নির্ঝর হইতে জল নির্গত হইয়া নদীনিচয়ে নিপতিত হয়। দূর হইতে নির্ঝরের জল গলিত-রৌপ্য-স্রোতঃ-সদৃশ প্রতীয়মান হয়। নির্ঝরকে এ দেশে ‘ঝোরা’ বলে।