বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:দার্জ্জিলিঙ্গ-প্রবাসীর পত্র - তারাপদ বন্দ্যোপাধ্যায় (১৮৯৫).djvu/৫৮

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।
বুদ্ধধর্ম্মোক্ত, নির্ব্বাণ।
৪৭

রাগী, পবিত্র, ধ্যান-পরায়ণ ও দৃঢ়-প্রতিজ্ঞ হও, সর্ব্বদা আত্মানুসন্ধায়ী হইয়া হৃদয়ের প্রতি দৃষ্টি রাখিও। যে একান্তমনে এই ধর্ম্মানুসরণ করিবে, সে জীবন-সাগর পার হইবে, তাহার সকল দুঃখ নির্ব্বাণ জলে ডুবিয়া যাইবে।” তাঁহার প্রিয় শিষ্য আনন্দকে বলেন, “সাধনে যত্নশীল হও, পাপ, মোহ ও অজ্ঞানতা হইতে রক্ষা পাইবে।” মৃত্যুর অব্যবহিত পূর্ব্বে সুভদ্রা- নামক একজন ব্রাহ্মণকে বুদ্ধদেব বলেন, “আমি তোমাকে সংক্ষেপে এই বলিতেছি, যে শিক্ষায় অষ্ট- মার্গের প্রতি সম্মান নাই, যাহাতে ধর্ম্মজীবনের সমা- দর নাই, সে শিক্ষায় মানুষ কখন পরিত্রাণ পায় না।” অন্তিম কালে বলেন, “ভিক্ষুগণ, এই আমার শেষ কথা যে, মানব-দেহ ও শক্তি ক্ষণভঙ্গুর; এই বাক্য প্রাণে দৃঢ়রূপে অঙ্কিত করিয়া পরিত্রাণের জন্য সচেষ্ট হও।” বুদ্ধদেব পুনর্জ্জন্মে বিশ্বাস করিতেন এবং কর্ম্মফল মানিতেন। আত্মার অমরত্বে বিশ্বাস না থাকিলে পুনর্জ্জন্ম ও কর্ম্মফলে বিশ্বাস একরূপ অসম্ভব হইয়া পড়ে।

 অনেক পণ্ডিত বলেন, বুদ্ধদেব নাস্তিক ছিলেন। রাইস ভেবিড, মোক্ষ মূলর, সেণ্ট হিলার, ফাইণ্ড