বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:দার্জ্জিলিঙ্গ-প্রবাসীর পত্র - তারাপদ বন্দ্যোপাধ্যায় (১৮৯৫).djvu/৬০

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।
বুদ্ধধর্ম্মোক্ত, নির্ব্বাণ।
৪৯

মান, হিন্দু, শিখ, পার্শি, ইহুদী প্রভৃতি ধর্ম্মাবলম্বী লোকের একুন সংখ্যা: প্রায় ৭৫ কোটি, কিন্তু একা বৌদ্ধধর্ম্মাবলম্বী লোকের সংখ্যা হইতেছে ৫০ কোটি। দেখুন, বুদ্ধদেবের বাক্য প্রকৃত কি না? সকল লোকেই তাঁহার চরণে প্রণত হইয়া তাঁহার নিকট ধর্ম্ম-ভিক্ষা চাহিতেছে কি না? যে হিন্দুগণ বৌদ্ধ নহে, তাহারাও বুদ্ধদেবকে ঈশ্বরাবতার বলিয়া, বিশ্বাস করে। গোণ্ডাণ্য নামক শিষকে উপদেশ দিবার সময়ে বুদ্ধদেব বলেন যে, “প্রাচীন শাস্ত্র অথবা গুরূপদেশ-বলে আমি এ মহাসত্য লাভ করি নাই। আমি নূতন জ্ঞান, নূতন চক্ষু, নূতন বিদ্যা, নূতন মেধা ও নূতন আলোকে এ সত্য দর্শন করিয়াছি, পাইয়াছি, সত্য বলিয়া গ্রহণ করিয়াছি।” কোন নাস্তিক এ প্রকার বাক্য বলিতে সাহসী হয়? যে ঈশ্বরের অস্তিত্বে বিশ্বাস করে না, যে আত্মার অমরত্বে বিশ্বাস করে না, যে নিধনকে জীবের চরম লক্ষ্য মনে করে, তাহার মুখ হইতে এপ্রকার কথা কখনই নিঃসৃত হইতে পারে না। খৃষ্টধর্ম্ম বৌদ্ধধর্ম্ম হইতে প্রাচীন নহে। খৃঃ অব্দের ২৫৭ বৎসর পূর্ব্বে মগধাধিপতি অশোকবর্দ্ধন বৌদ্ধধর্ম্ম অবলম্বন করিয়া, উক্ত ধর্ম্ম সম্যগৃরূপে প্রচার করণোদ্দেশে