বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:দার্জ্জিলিঙ্গ-প্রবাসীর পত্র - তারাপদ বন্দ্যোপাধ্যায় (১৮৯৫).djvu/৬১

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।
৫০
দার্জ্জিলিঙ্গ-প্রবাসীর পত্র।

পেশওয়ার হইতে উড়িষ্যার উপকূল পর্যন্ত ও দক্ষিণে কাটিওয়ার পর্য‍্যন্ত স্থানে স্থানে স্তম্ভে, শৈলগাত্রে এবং গিরিগুহায় উক্তধর্ম্মানুমোদিত মত খোদিত করাইয়াছিলেন। তাঁহার অনুশাসন প্রিন্সেপ্-নামক এক ইংরেজ দ্বারা উদ্ধৃত হইয়াছে। সপ্তম অনুশাসনটী এই, “আমি পুণ্য-ক্রিয়া সংস্থাপন করিয়াছি। মানবজাতি তাহার অনুষ্ঠান করিয়া ধর্ম্মপথে নীত হইবে এবং ঈশ্বরের মহিমা প্রকাশ করিবে।” আর একটী অনুশাসন এই, “অপরাধ স্বীকার কর এবং ঈশ্বরে বিশ্বাস কর, তিনিই সম্মানের উপযুক্ত পাত্র।” অশোক রাজা অপর একটী অনুশাসনে বলিয়াছেন, “যদ্দ্বারা পৃথিবীতে করুণা ও উদারতা, সত্য ও পবিত্রতা, দয়া ও সাধুতা বৃদ্ধি হয়, তাহাই প্রকৃত ধর্ম্মভাব, তাহাই সকল ধর্ম্মোপদেশের সার।” এবংবিধ বহু বাক্য বৌদ্ধ-ধর্ম্ম-পুস্তকে প্রাপ্ত হওয়া যায়। আমি ইতিপূর্ব্বে বলিয়াছি যে, ভুটিয়াবস্তিতে যে মন্দির দর্শন করিয়াছিলাম, তন্মধ্যস্থিত তিনটী মূর্ত্তির মধ্যে মধ্যস্থিত মূর্ত্তিকে ‘বুদ্ধদেও’ বা আদিবুদ্ধ বলে। আদিবুদ্ধ সম্বন্ধে নেপালীগণ বলে যে, “আদিবুদ্ধ অনাদি, তিনি পূর্ণ, পবিত্র এবং সত্য। তিনি অতীতদর্শী, তাঁহার