‘এভারেষ্ট’ বা গৌরী-শিখর শৃঙ্গ ব্যতীত ইহা অপেক্ষা উচ্চতর শৃঙ্গ পৃথিবীতে নাই। এই হিমাদ্রি-শিখর চিরতুষারমণ্ডিত। কাঞ্চিনজিঙ্ঘার ক্ষুদ্রতম শৃঙ্গের নাম চোলা পাস। দার্জ্জিলিঙ্গ নগর হইতে শিকিমান্তর্গত দমশং স্থান পর্য্যন্ত অনায়াসে যাওয়া যায়। তথা হইতে চোলা পাস পর্য্যন্ত পথ অতিশয় দুর্গম। কাঞ্চিনজিঙ্ঘাকে ভুটিয়াগণ দেবতা বলিয়া বিশ্বাসকরে। ইনি মনুষ্যের প্রতি অসন্তুষ্ট হইলে ঝড়-বৃষ্টি প্রেরণ করিয়া গৃহ ও শস্যক্ষেত্র বিনষ্ট করেন। শাক্যমুনি ইহাঁর শিষ্য ছিলেন। ক্রমে রৌদ্রের তেজ বৃদ্ধি হইল। নগর-দর্শনে বহির্গত হইলাম। বিপণিমালা দেখিতে দেখিতে ‘চৌরাস্তায়’ উপনীত হইলাম। তথায় দাণ্ডি হইতে অবতরণ করিয়া ‘মল’ (Mall) পরিভ্রমণ করিতে লাগিলাম। মহাকাল পাহাড়ের নিম্নভাগ বেষ্টন করিলাম। ‘মলের’ এক স্থান হইতে ‘কাঞ্চিনজিঙ্ঘা’ দেখিতে পাইলাম। তখনও তাহার সৌন্দর্য্যের হ্রাস হয় নাই। প্রাতঃকালে, এই স্থান হইতে এই পর্বতশৃঙ্গটা অতীব সুন্দর দেখায়। এখান হইতে লিবঙ্গের সমতল ভূমি এবং ভুটিয়াবস্তিও দেখিতে পাইলাম। অনেক সাহেব
পাতা:দার্জ্জিলিঙ্গ-প্রবাসীর পত্র - তারাপদ বন্দ্যোপাধ্যায় (১৮৯৫).djvu/৮৬
অবয়ব
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।
কাঞ্চিনজিঙ্ঘা।
৭৫