পাতা:দুই বোন - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৫১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অষ্টম পত্ৰ উদাসীন কানের কাছে অত্যন্ত নির্বিশেষ ভাবের উপদেশ দেওয়া, যা কোনো বাস্তব মানুষের কোনো বাস্তব কাজেই লাগে না । পরলোকগত বহুসংখ্যক পিতৃপুরুষদের উদ্দেশে পাইকেরি প্রথায় পিণ্ডি দেওয়ার মতো— যেহেতু সে পিণ্ড কেউ খায় না সেইজন্যে তাতে না আছে স্বাদ, না আছে শোভা । যেহেতু সেটা রসনাহীন ও ক্ষুধাহীন নামমাত্রের জন্য উৎসর্গ-করা সেইজন্যে সেটাকে যথার্থ খাদ্য করে তোলার জন্যে কারও গরজ নেই। মেসেজ-রচনা সেইরকম রচনা । আজ বিকেলের গাড়িতে পিনাঙ যেতে হবে । তার আগে, যদি স্বসাধ্য হয় তবে নাওয়া আছে, খাওয়া আছে ; যদি দুঃসাধ্য হয় তবু একটা মিটিঙে গিয়ে বক্তৃতা আছে ; ঘুম নেই, বিশ্রাম নেই, শাস্তি নেই, অবকাশ নেই ; তার পরে সুদীর্ঘ রেলযাত্রা ; তার পরে স্টেশনে মাল্যগ্রহণ, এড্রেস্-শ্রবণ, তদুত্তরে বিনতিপ্রকাশ ; তার পরে নতুন বাসায় নতুন জনতার মধ্যে জীবনযাত্রার নতুন ব্যবস্থা ; তার পরে ষোলোই তারিখে জাহাজে চড়ে জাভায় যাত্রা ; তার পরে নতুন অধ্যায় । ইতি ১৩ অগস্ট ১৯২৭ টাইপিঙ Ծ:)