পাতা:দুই বোন - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৭৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


যুদ্ধের দ্বারা। সেকালে রাজারা বিনা প্ৰয়োজনেই রাজ্যবিস্তার করতে বেরোত। রাজ্যলোভের জন্যে নয়, নুতন ক’রে পেীরুষের গৌরব প্ৰমাণের জন্যে। এই গৌরবে মেয়েরা যেন বাধা না দেয়। শৰ্মিলা বাধা দেয়নি, ইচ্ছা ক’রেই শশাঙ্ককে তার লক্ষ্যসাধনায় সম্পূৰ্ণ পথ ছেড়ে দিয়েছে। একসময়ে তাকে ওর সেবাজালে জড়িয়ে ফেলেছিল, মনে দুঃখ পেলেও সেই জালকে ক্ৰমশ খৰ্ব করে এনেছে। এখনো সেবা যথেষ্ট করে অদৃশ্যে নেপথ্যে। হায় রে, অাজ ওর স্বামীর এ কী পরাভব দিনে দিনে প্ৰকাশ হয়ে পড়ছে। রোগশয্যা থেকে সব ও দেখতে পায় না, কিন্তু যথেষ্ট আভাস পায়। শশাঙ্কের মুখ দেখলেই বুঝতে পারে সে যেন সৰ্বদাই কেমন আবিষ্ট হয়ে অাছে। ঐ একত্তি মেয়েটা এসে অল্প এই কদিনেই এতবড়ো সাধনার আসন থেকে ঐ কৰ্মকঠিন পুরুষকে বিচলিত করে দিলে। অাজ স্বামীর এই অশ্ৰদ্ধয়তা শমিলাকে রোগের বেদনার চেয়েও বেশি করে বাজছে। শশাঙ্কের অাহারবিহার বেশবাসের চিরাচরিত ব্যবস্থায় নানারকম ক্ৰটি হচ্ছে সন্দেহ নেই। যে পথ্যটা তার