পাতা:দেবী চৌধুরানী - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়.djvu/১৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পরিস্ফুট। দেবী চৌধুরাণীর ক্ষেত্র অতি স্বন্দর না হইলেও মনোহর বটে। দেৰী চৌধুরাণী যেন । BBBB DDB BBiSDBB BBS BBBB BBSBBB BBBS BB BBBB BBDDD DDS S BBB BBDDDDBBS BBB BBSBBS BB BBB BBS BBBB BBBBBB BBS BBBBS S SBB BBS BB BBBB BBBB BBB BS BBB B BB DD Dg i DDD D BBBB BBB B BB TtttS BBBB BBBBBBB DDDD DDD BB BBB পড়িয়াছেন। প্রফুল্লকে এক রাত্রির জন্য স্বামিসঙ্গে সুখী করিয়া কবি সৰ্ব্বৈশ্বর্ঘ্যের পথে একটা কষ্টক বিদ্ধ করিয়া দিয়াছেন। তাহার পরিণাম দেবীঃাণীর ব্রজেশ্বরের शूरश् আসিয়া বাসন মাজা-ঘরসংসার দেখা । যেমন কৰ্ম্মী তেজস্ব ব্রাহ্মণ ডাকাতের হাত দিয়া কবি দেবীরাণীকে গড়িয়া তুলিলেন, সে গড়নের ফলে পুরুষ ব্রজেশ্বর সোনা হইয়া যাইবার কথা। কিন্তু কবি প্রফুরের সংস্পর্শে ব্রজেশ্বরের মানবতার উন্মেষ-ভঙ্গী দেখান নাই। যেন প্রফুল্ল আসাতেই নয়ান বৌয়ের ঝগড়া থামিল, সাগর বেয়ের অভিমান দূর হইল, আর ব্রজেশ্বর যেন “নিত্য: সৰ্ব্বগতঃ স্থাণু চলোয় সনাতনঃ” পুরুষের হিসাবে, প্রফুল্লের প্রতি কৃতজ্ঞ হইয়া, সত্ত্ব, রজঃ ও তমঃ-প্রফুল্প, সাগর ও নয়ান বেী—এই তিন গুণে বিচরণ করিতে লাগিলেন। এই তিনের সমাধান করিলেন প্রফুল্প, সংসারে একটা negative স্বথের বা স্বস্তির লহর তুলিলেন প্রফুল্প, ফলভাগী হইল ব্রজেশ্বর। এইটুকুর জন্ত প্রফুল্পকে ব্যাকরণ, অলঙ্কার, দর্শন, বিজ্ঞান, সবই শিখিতে হইল, কুন্তী করিতে হইল, লাঠি খেলিতে হইল, নানা ভঙ্গীতে ত্যাগের মক্স করিতে হইল, দেবীরাণীর দোকানদারী বসাইতে হইল, ডাকাতের দলের সর্দার হইতে হইল! ভবানী পাঠকের গুরুগিরির পর্য্যবসান হইল সাদামাঠা গৃহস্থের কুলাঙ্গনার ঘর-গৃহস্থালীর কার্ষো—বাসনমাজায় ও সপত্নৗবশীকরণে। আদিরসের কবি আদিরসটুকু ভুলিতে পারেন নাই, domesticityর লো ভটুকু সামলাইতে পারেন নাই। এ ইটা শিক্ষার পরেও প্রফুল্প বৈষ্ণবী হইতে পারিলেন না, তান্ত্রিক মতে শাক্ত ভৈরবী হইতেও পারেন নাই।. কিন্তু প্রফুল্প-চরিত্র অপূৰ্ব্ব ; উহ। বাঙ্গালার নহে, অথচ বেশ বাঙ্গালীয়ানা মাথান । উহা বাঙ্গালীর ঘরে কখনও ছিল না, বাঙ্গালীর ধরে কখনও হইবে না । যাজপুর হইতে বদলি হইয়। বঙ্কিমচন্দ্র ১৮৮৩ খ্ৰীষ্টাব্দের ১৪ই ফেব্রুয়ারি তারিখে হাওড়ার ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট হন। যাজপুরেই দেবী চৌধুরাণী রচনার সূত্রপাত। শচীশচন্দ্রের ‘বঙ্কিম-জীবনীতে ( ৩য় সংস্করণ, পৃ. ১৩১-৩৩) এই সময়ের একটি ডাকাতির উল্লেখ আছে, বঙ্কিমচন্দ্র যাহার অভিজ্ঞতা দেবী চৌধুরাণীতে প্রয়োগ করিয়াছেন। ওয়েস্ট মেকট সাহেব তখন হাওড়ার ম্যাজিসট্রেট। বঙ্কিমচন্দ্রের, সহিত তাহার শুরু হইতেই খিটিমিটি বাধিয়া যায়। বঙ্কিমচন্দ্র কলিকাতায় বউবাজার স্ট্রীটে বাসা লইয়া, সেখান হইতে হাওড়া যাতায়াত করিতেন। সঞ্জীবচন্দ্র-সম্পাদিত ‘বঙ্গদর্শনের অবস্থা তখন কাহিল, মার্চ মাস পৰ্য্যন্ত (চৈত্র, ১২৮৯ ) কোনও রকমে বাহির হইয়া তাহা বন্ধ হইয়া যায়। বঙ্কিমচন্দ্র ‘বঙ্গদর্শনে \oy