পাতা:দেবী চৌধুরানী - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়.djvu/১৫৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


MMS DDD BBBBD DDBS BBB BB BBBBB DDB BBB BBB DDB BBB S অনেক নগদ টাকা জমিল। তখন প্রফুল্ল বলিল, “আমার সেই পঞ্চাশ হাজার টাকা কার্জ শোধ কর।” - - ত্র। কেম, তুমি টাকা লইয়া কি করিৰে ? প্র। আমি কিছু করিব না। কিন্তু টাকা আমার নয় শ্রীকৃষ্ণের ;–কাঙ্গাল গরিবের । কাঙ্গাল গরিবকে দিতে হইবে। ব্র। কি প্রকারে ? প্র। পঞ্চাশ হাজার টাকায় এক অতিথিশালা কর। - ব্রজেশ্বর তাই করিল। অতিথিশালা মধ্যে এক অন্নপূর্ণ-মূৰ্ত্তি স্থাপন করিয়া, অতিথিশালার নাম দিল, “দেবীনিবাস।” যথাকালে পুত্র-পৌত্রে সমাবৃত হইয়া, প্রফুল্ল স্বর্গারোহণ করিল। দেশের লোক সকলেই বলিল, “আমরা মাতৃহীন হইলাম।” রঙ্গরাজ, দিবা ও নিশি, দেবীগড়ে শ্ৰীকৃষ্ণচন্দ্রের প্রসাদভোজনে জীবন নিৰ্ব্বাহ করিয়া, পরলোকে গমন করিলেন। ভবানী ঠাকুরের অদৃষ্টে সেরূপ ঘটিল না। ইংরেজ রাজ্য শাসনের ভার গ্রহণ করিল। রাজ্য সুশাসিত হইল। সুতরাং ভবানী ঠাকুরের কাজ ফুরাইল। ছষ্টের দমন রাজাই করিতে লাগিল। ভবানী ঠাকুর ডাকাইতি বন্ধ कग्निल । তখন ভবানী ঠাকুর মনে করিল, “আমার প্রায়শ্চিত্তের প্রয়োজন।" এই ভাবিয়া ভবানী ঠাকুর ইংরেজকে ধরা দিলেন, সকল ডাকাইতি একরার করিলেন, দণ্ডের প্রার্থনা করিলেন। ইংরেজ হুকুম দিল, “যাবজ্জীবন দ্বীপান্তরে বাস " ভবানী পাঠক প্রফুল্লচিত্তে দ্বীপান্তরে গেল। - - - -s এখন এসে, প্রফুল্ল ! একবার লোকালয়ে দাড়াও—আমরা তোমায় দেখি। একবার এই সমাজের সম্মুখে দাড়াইয়া বল দেখি, “আমি নূতন নহি, আমি পুরাতন।” আমি সেই বাক্য মাত্র ; কতবার আসিয়াছি, তোমরা আমায় ভুলিয়া গিয়াছ, তাই আবার আসিলাম—- “পরিত্রাণায় সাধুনাং বিনাশায় চ দুষ্কৃতাম্। ধৰ্ম্মসংস্থাপনার্থায় সম্ভবামি যুগে যুগে।”