পাতা:দেবী চৌধুরানী - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়.djvu/১৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ه/ود নবজীবন সঞ্চার করিবার জন্য কলিকাতার বউবাজারের বাসায় বসিয়া দেবী চৌধুরাণী রচনা করিতে থাকেন। কিন্তু তাহার সকল চেষ্টা সত্ত্বেও বঙ্গদর্শনকে তিনি পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করিতে পারেন নাই। ১২৯০ বঙ্গাব্দের কাৰ্ত্তিক হইতে আবার বাহির হইয়া মাঘে উহা চিরতরেই বন্ধ হইয়া যায়, দেবী চৌধুরাণীর দ্বিতীয় খণ্ড মাত্র শেষ হয়। ওয়েস্ট মেকট সাহেবের হুকুমে বাধ্য হইয়া বঙ্কিমচন্দ্রকে হাওড়ায় বসবাস করিতে হয়। দেবী চৌধুরাণী পুস্তকাকারে বাহির হয় ১২৯১ সালের বৈশাখ মাসে—পুস্তকাকারে বঙ্কিমচন্দ্র দ্বিতীয় খণ্ডের অনেক পরিবর্তন সাধন করেন । - বিপিনচন্দ্র পাল ও পাচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায় ব্যতীত ঠাকুরদাস মুখোপাধ্যায়ঃ পূৰ্ণচন্দ্র বস্থ, গিরিজাপ্রসন্ন রায় চৌধুরী, হারাণচন্দ্র রক্ষিত, ললিতকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়, শচীশচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, অক্ষয়কুমার দত্তগুপ্ত, জয়ন্তকুমার দাশগুপ্ত প্রভৃতিও দেবী চৌধুরাণী লইয় আলোচনা করিয়াছেন। ‘বঙ্গসাহিত্যে উপন্যাসের ধারা’ পুস্তকে অধ্যাপক শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় দেবী চৌধুরাণীকে রোমান্স পৰ্য্যায়ে ফেলিয়া আলোচনা করিয়াছেন। বঙ্কিমচন্দ্র স্বয়ং দেবী চৌধুরাণী’র ইংরেজী অনুবাদ করিয়াছিলেন । এই অনুবাদ পাণ্ডুলিপি আকারেই ছিল। এই পাণ্ডুলিপির কিয়দংশ মাত্র পাওয়া গিয়াছে এবং সেই অংশটুকু এই রচনাবলীর ইংরেজী খণ্ডে মুদ্রিত হইয়াছে। ১৮৯৩ খ্ৰীষ্টাব্দে অমৃতসর হইতে তুলসীরাম এবং ১৯০৬ খ্ৰীষ্টাব্দে লক্ষ্ণৌ হইতে জে. প্রসাদ ইহার হিন্দুস্থানী অনুবাদ প্রকাশ করেন। ভি, অম্মল মাদ্রাজ হইতে দেবীচন্দ্রপ্রভা নাম দিয়া ইহার তামিল অনুবাদ, মসৃলিপটম হইতে ১৯০৯ খ্ৰীষ্টাব্দে সি. ভাস্কর রাও ইহার তেলুগু অনুবাদ এবং ১৮৯৯ খ্ৰীষ্টাব্দে মহীশূর তইতে বি. ভেঙ্কটাচাৰ্য্য ইহার কানাড়ী অনুবাদ প্রকাশ করেন । ১৯০০ খ্ৰীষ্টাব্দে কেদারনাথ বিশ্বাস ভবানীপাঠক নাম দিয়া দেবী চৌধুরাণীর এক অতি অক্ষম পরিশিষ্ট প্রকাশ করেন । • “যে সময়ের কথা বলতেছি, ঠিক সেই সময়ে, অথবা তাহার কিছু পূৰ্ব্বে বঙ্কিমবাবুর 'দেবী চৌধুরাণী BBBB DDS BB B BBBBB BB BBB BBBB BB S BB BBBB BBBB BBBD DDS আৰু কোন কাগজেই দেবী চৌধুরাণীর অত বড় বিস্তুত সমালোচনা প্রকাশিত হয় নাই। ভূদেবৰাবু ঐ সমালোচনা পাঠ করির প্রীত হইয়াছিলেন এবং ‘এডুকেশন গেজেটো “উচ্চ অঙ্গের সমালোচনা" বলিয়া উল্লেখ করিয়াছিলেন। বঙ্কিমবাবুও তাহার পুস্তকের ঐ সমালোচনা দেখিয়া সবিশেষ সন্তুষ্ট হইয়াছিলেন এবং কোনও বন্ধুর নিকট সমালোচকের তত্ত্ব লষ্টয়াছিলেন।”—ঠাকুরদাস মুখোপাধ্যায়, নারায়ণ’, বৈশাখ ১৩২২, পৃ. ৬৬৫-৬।