এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।
রোগে না যত মরে আতঙ্কে বেশি তার
সারাদেশ জুড়ে শুধু মৃত্যুরই কারবার।
মহামারী বড় নয়, চাকরিটা বড় যে
কাজে না এলে পরে না খেয়ে মরো গে।
হুমকি শুনে শুনে মালিকের ভয়ে রে
দলে দলে আসে শ্রমিক গ্রাম ছেড়ে শহরে।
তারপরও বেতনটা চাইলেই গুলি খায়
আহারে কী ভাগ্য আহারে কী অসহায়।
বাপ-মা হারা শিশু চলে রোজ রাস্তায়
দ্রুত পায়ে যায় ওরা শ্রম দিতে সস্তায়।
সময়ে না গেলে পরে মজুরি যে পাবেনা
তার ওপর দেবে মালিক শারীরিক যাতনা।
কিশোরী ও যুবতী শাস্তিটা একই পায়
কখনোবা মালিক ওদের দেহটাকে ছিঁড়ে খায়।
ইতিহাস পড়ে খোকার কেঁপে ওঠে বুকটা
ভাবে ঢের ভালো ছিলো ক্রীতদাস যুগটা।
০৪.০৫.২০২০
৫৪