পাতা:ধম্মপদ - সতীশচন্দ্র মিত্র.pdf/৫৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে চলুন অনুসন্ধানে চলুন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।

১৮

ধম্মপদ।

অনুরক্ত, বুদ্ধশিষ্য, ভক্ত যেই হয়,
সহজে করিবে এই সংসার বিজয়;
সুনিপুণ মালাকর পুষ্পোদ্যানে গিয়া,
সুন্দর কুসুম যথা লয় সে বাছিয়া,
সংসার উদ্যানে আসি তেমতি সেজন
 সুনির্দ্দিষ্ট ধর্ম্মপথ করে নির্ব্বাচন[১]॥ ২॥


    বা কবিতা পুস্তক এরূপ অর্থ ও করা হইয়াছে। বর্ত্তমান শ্লোকে ধর্ম্মপদ বলিতে ধর্ম্মপথ বা ধর্ম্মের সোপান বুঝাইতেছে। পুস্তকের নামেরও সম্ভবতঃ ইহাই অর্থ। বুদ্ধঘোষ স্পষ্টই বলিয়াছেন যে, বোধি জ্ঞান বা দিব্য জ্ঞান লাভ করিতে হইলে ক্রমে ক্রমে উন্নতিমার্গেয় ৩৭ টি সোপান বা অবস্থা অতিক্রম করিতে হয়। “ললিত বিস্তর” গ্রন্থে বুদ্ধদেব স্বয়ং এই মার্গদর্শক বা পথদর্শক নামে কথিত হইয়াছেন।

  1. ধম্মপদ ও অন্যান্য বৌদ্ধ গ্রন্থের অনেকস্থলে অতি প্রাচীন কালীয় হিন্দু ধম্মগ্রন্থের অনেক শ্লোকের পালি অনুবাদ দেখিতে পাওয়া যায়। আবার পাশ্চাত্য পণ্ডিতগণ কেহ কেহ বিবেচনা করেন যে পঞ্চতন্ত্র প্রভৃতি গ্রন্থ অপেক্ষাকৃত আধুনিক; বৌদ্ধশাস্ত্র হইতে অনেক উপাখ্যান পালি হইতে কালক্রমে সংস্কৃতে ভাবা-