উপ্রে জায়গা দিছিলেন যুক্তিরে। চাইর বছর বয়সের অন্ধত্ব কিংবা মায়ের অসুস্থতার খবর পাইয়া নিজের শহরে ফিইরা আইসা মায়েরে না পাওয়া এইসব থাইকাই তার কাছে উচ্চারিত হয়-
গুছিয়ে বলতে পারা এক বন্ধুর কথা শুনতে শুনতে
নীরবে কেটে যাওয়া সময়ই দুনিয়ার শ্রেষ্ঠ মুহূর্ত।
কিংবা
যদি একজন দুর্বিনীত মানুষ
তোমাকে বিদ্ধ করে কথার তলোয়ারে,
তার প্রান্তটি ভেঙে দিতে,
ধৈর্যের সাথে বিরোধিতা করো তারে।
অর্থাৎ তার উচ্চারণগুলা অহংবোধ থাইকা মানুষরে দূরে সরাইয়া নেয়। সামান্য বিন্দু পরিমান অহংকার প্রকাশ করাইতো ধর্ম থাইকা বিচ্যুত হওয়া। ধর্ম নাশের প্রধান কারন অহংবোধ-তা যে কোনা দিক দিয়াই হউক। এমন কি আমার ধর্মই একমাত্র সত্য, আর আমিই সব জানি এও তো এক ধরনের অহংবোধ। মানুষের অর্জিত জ্ঞান মানুষরে অহংকার থাইকা বাইরে আইনা যে উপলব্ধি দেয় তা হইল, “আমি কিছু নয় রে আমি কিছু নয়/অন্তরে বাহিরে দেখি কেবল দয়াময়।” আর আল-মা’আরির উচ্চারণগুলাও আসলে এই উপলব্দিই দেয়-মানুষরে নিয়া আসে অহংবোধের বাইরে।
- মোর্শেদ শেখ
সিলেট ফেব্রুয়ারি, ২০২১