বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:ধর্ম্মজীবন (প্রথম খণ্ড) - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/১৫৪

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

অভয়-ধাম | উপনিষদে একটি বচন আছেঃ “যদা হোবৈষএতস্মিন্নদৃশ্যে হুনাত্ম্যেহানিরুক্তেস্থনিলয়নেহ ভয়ং প্ৰতিষ্ঠাং বিন্দতে। অৰ্থ সোহ ভয়ং গতোভবতি ৷” অর্থ-“সাধক যখন এই অদৃশ্য, নিরবয়ব, অনিৰ্দেশ্য, ও নিরাধার পরব্রহ্মে অভয় প্রতিষ্ঠা লাভ করেন, তখন তিনি অভয় প্ৰাপ্ত হন ।” এই অভয় প্রতিষ্ঠা কি ? অভয়ধাম, অভয় পদ, প্ৰভৃতি কথা আমরা সর্বদাই শুনিয়া থাকি । এই অভয়ধাম। কোথায় ? ইহলোকে কি পরলোকে ? অভয় শব্দের অর্থ ভয় নিবৃত্তি । ইহা কোন ভয়ের নিবৃত্তি ? সাধকমাত্ৰেই বলিয়া থাকেন অভয়ধাম। এই জগতেই লাভ করা যায় ; কিন্তু প্ৰায় সমুদায় ধৰ্ম্মেই এ জগতকে যে চক্ষে দেখিয়াছেন, তাহতে ইহাকে অভয়ধাম বা সুখময় স্থান বিবেচনা করা সস্তব্য নহে । কোনও স্থানকে অভয়ধাম। বলিয়া ভাবিবার পক্ষে তিনটীর প্রয়োজন, তাহী ক্রমে উল্লেখ করা যাইতেছে । প্ৰথম, জীবমাত্রেরই প্ৰকৃতি এই যে, য়ে স্থানকে সে নিজের স্থান বলিয়া মনে করে না, অর্থাৎ যে স্থান তাহার প্রকৃতির অনুকুল নহে, সে স্থানে থাকিয়া সে সুখী হয় না । মৎস্যকে জল হইতে তুলিয়া স্থলে রাখিলে, পক্ষীকে আকাশ হইতে