可E弼-81可1 e তবে তিনি নিশ্রুয় ; জগতের সুখ দুঃখ ভদ্রাভদ্রের সহিত তাহার কোনও সম্পর্ক নাই ; তঁাহারা যদি প্রচার করেন যে অমঙ্গলের দিকেই জগতের গতি, তাহা হইলে বরং একদিন শোভা পাইতে পারে, কিন্তু আমাদের ন্যায় যাহারা মঙ্গলময় বিধাতার বিধাতৃত্বে বিশ্বাস করেন, তঁাঙ্গার কিরূপে নৈরাশ্যের শাস্ত্ৰ অবলম্বন করিবেন ? ঈশ্বর আছেন ইহা যদি সত্য হয়, এবং তিনি মঙ্গলময় বিধাতা ইহাও যদি সত্য হয়, তবে আমরা তাহার মঙ্গলবিধানের অন্তৰ্গত ইহাও ত সত্য। আমরা যদি তাহার মঙ্গল বিধানের অস্তগত তবে তাহার এই জগতে বাস। করিতে আমাদের ভয় কি ? এ যুক্তিও তা বিচার সঙ্গত । কিন্তু বিচার দ্বারা তঁহার বিধাতৃত্ব স্বীকার করা এক কথা, আর বিশ্বাস-চক্ষে তাহা দৰ্শন করিয়া। তদুপরি আপনার জীবনকে প্রতিষ্ঠিত করা আর এক কথা । প্রেমই এই বিশ্বাস চক্ষু লাভের প্রধান উপায় । ভক্তির সঞ্চার হইলেই তাহার বিধাতৃত্ব অতি-নিকটে দেখিতে পাওয়া যায়। ইহা নিশ্চিত যে পরমেশ্বরের প্রতি যতদিন প্ৰকৃত প্ৰেম না জন্মিতেছে ততদিন আমরা এ জগতকে আপনাদের স্থান মনে করিতে পারিতেছি। না, এবং এখানে নির্ভয় শান্তিতে বাস করিতে পারিতেছি না । প্রেমিকের নিকট যে সকল কথা অতি সহজ ও সুখ-বোধ অপরের নিকট তাহা বহু যুক্তি সাপেক্ষ । প্রেমিক বলেন,- “কি আশ্চৰ্য্য ! পক্ষীর শাবক নিজ কুলায়ে বসিয়া থাকে, যিনি তাহার মাতার মুখ দিয়া তাহাকে আহার দেন, তিনি কি আমার অমর আত্মাকে রক্ষা করিতেছেন না ? ?
পাতা:ধর্ম্মজীবন (প্রথম খণ্ড) - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/১৬৩
অবয়ব