বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:ধর্ম্মজীবন (প্রথম খণ্ড) - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/২৩২

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

RA वधिौदन। হস্ত হইতে নিস্কৃতি লাভ করিবার জন্য, এই যাতনা হইতে উদ্ধার পাইবার জন্য, আমরা আত্ম-পক্ষ সমর্থনের প্রয়াস পাই ; আপনাদের অপরাধ ভার লঘু করিবার নিমিত্ত যুক্তির পর যুক্তি পরস্পর উদ্ভাবন করি। যে অবস্থাকে ক্লেশকর মনে করিয়া আমরা যাহা হইতে নিস্কৃতি লাভের প্রয়াস পাই, তাহা আমাদের সৃষ্টি কিরূপে বলিতে পারি ? যাহা আমি গড়ি তাহা আমি ভাঙ্গিতে পারি। এই অনুতাপ ও আত্মপ্ৰসাদ যদি আমার গড়া পদার্থ হয় তবে ইহা আমি ভাঙ্গিতেও পারি। যখন দেখিতেছি যে, আমার সহস্ৰ চেষ্টা সত্ত্বেও আমি ইহাদিগকে গড়িতে বা ভাঙ্গিতে পারিতেছি না, তখন ইহা আমার মনের সৃষ্টি নহে, ইহা অপর কাহারও। এই সত্য হৃদয়ে ধারণ করিলেই আমরা অনুভব করি যে, আমাদের প্রকৃতি এই আর এক দিকে সেই ধৰ্ম্মাবহ পুরুষের সহিত সংসৃষ্ট হইয়া রহিয়াছে, --যেন দেব ও মানব একস্থানে ও একাধারে বাস করিতেছে । এই দেহে ও এই জগতে মানব একাকী বাস করিতেছে না, আর একজন তাহার আত্মাতে সন্নিহিত হইয়া আছেন ইহা যদি সত্য হইল, তাহা হইলে এই প্রশ্ন স্বভাবতঃ উঠিতেছে, মানবের প্ৰতি দিনের কাৰ্য্যের মধ্যে মানব কতটা করে ও তিনি কতটা করেন ; মানব ও দেবের কাৰ্য্যের পরিচ্ছেদ-সীমা কোথায় ? এ জগতে মানবের কতদূর করিবার সাধ্য আছে, এবং কতদূর নাই তাহা চিন্তা করিলেই এই প্রশ্নের বিচার বিষয়ে অনেক সহায়তা হইতে পারে । প্রথম মানবের বাহু সম্পদ ও ঐশ্বৰ্য্যের বিষয়ে চিন্তা করা