বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:ধর্ম্মজীবন (প্রথম খণ্ড) - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/২৬৩

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

आक्षांक्षिक क्रषी-बांग्षा । । থাকে। চাঁদে আঘাত করিবার জন্য যদি, কেহ চিল ছেড়ে তবে তাহার ঢ়িল অন্ততঃ দুই শত হাতও উঠে, কিন্তু আমাদের এই মন্দিরের, ঐ স্তম্ভের মস্তকে প্ৰহার করা যাহার লক্ষ্য তাহার চেষ্টাও সেই পরিমাণে অল্প হয়। যে ব্যক্তি মনে করিতেছে, জনসমাজে থাকিয়া অধিক ধৰ্ম্ম আর কি করিব, অমনি চলনসই একটু ধৰ্ম্ম থাকিলেই হয়, তাহার আধ্যাত্মিক ক্ষুধামান্দ্য উপস্থিত হওয়া অনিবাৰ্য্য। দ্বিতীয় কারণ,দৈনিক উপাসনার অভ্যাসের অভাব। অনেকে দৈনিক উপাসনার অভ্যাস রক্ষা করিবার বিশেষ প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন না । তাহারা মনে করেন, দৈনিক উপাসনার• জন্য একটা স্থান বা সময় রাখিবার প্রয়োজন কি ? অনেক সময় দেখা যায়, এরূপ দৈনিক উপাসনা একটা শুষ্ক ও নীরস নিয়ম-রক্ষার মত হইয়া পড়ে। আমাদের দৈনিক উপাসনা যে প্রতিদিন সরস হয় না, তাহা আমি জানি ; এবং এক এক সময়ে। এই নিয়ম রক্ষা করা যে ভার-স্বরূপ হয়, তাহাও আমার বিলক্ষণ জানা আছে । কিন্তু তাহা হইলেও এ নিয়মটা রক্ষা করা কৰ্ত্তব্য। কারণ দশদিন নীরস হইতেছে দশদিন তা সরস হইতে পারে; দশদিন ত এই দ্বারা দিয়া ব্ৰহ্মকৃপা প্রচুর পরিমাণে তোমার হৃদয়ে আসিতে পারে। তুমি দ্বারটা বন্ধ করা কেন ? ) যাহারা কখনও বসন্তকালে বা গ্রীষ্মের প্রারম্ভে পাঞ্জাব দেশে গিয়াছেন, তাহারা দেখিয়া থাকিবেন, যে এক একটী প্ৰকাণ্ড নদী শুল্ক বিশুদ্ধক ও শীৰ্গদেহী হইয়া পড়িয়া ৱিহিয়াছে। দুই মাইল ব্যাপিয়া বালুকারাশি ধুধু করিতেছে। নদীর মধ্যস্থলে