বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:ধর্ম্মজীবন (প্রথম খণ্ড) - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/২৮৪

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

te ধৰ্ম্মজীবন ৷ ” পাই যে সিদ্ধিলাভের পূর্বে তাহারা সুগভীর মনোগ্নানিতে কাল কাটাইতেন। মহাত্মা শাক্যসিংহের বিষয় এরূপ উক্ত হইয়াছে, যে তিনি এরূপ ঘন বিষাদের মধ্যে পতিত হইয়াছিলেন। যে তাহার পিতা সে জন্য নিতান্ত চিন্তিত হইয় তাহার চিত্ত বিনোদনার্থ নানা প্ৰকার উপায় অবলম্বন করিয়াছিলেন । কিন্তু কিছুতেই তাহার চিত্তের বিষন্নতা বা প্ৰতিজ্ঞার একাগ্ৰতা বিদূরিত করিতে পারে নাই। প্রশ্ন করি, চিত্তের এই বিষন্নতার কারণ কি ? তিনি কি একজন পাপূিশ্রেষ্ঠ ছিলেন যে নিরস্তর নিজ পাপ স্মরণ করিয়া খুব্ধ থাকিপ্তের্ন ? তাহা নহে ; সাধারণ জনগণের দুর্দশ দেখিয়াই তিনি এই গভীর বিষাদে নিমগ্ন হইয়াছিলেন । যীশুর ও জীবনে এই দেখি। তিনি নিরন্তর এমনি বিষন্ন থাকিতেন যে, কেহ কখনও তাহাকে হাসিতে CMCr tè li gie gestigCI vötzlicks ( man of sorrows ) fbg বিষন্ন মানুষ বলা হইয়াছে। যীশু কি এত বড় দুস্কিয়ান্বিত পাপী ছিলেন, যে তাহার চিত্তে দিন রাত্ৰি অশান্তি বাস করিত ? কখনই নহে। তিনি মানবগণের বিশেষতঃ তাহার স্বদেশীয়দিগের দুৰ্গতি দেখিয়া সর্বদা শোক করিতেন। মহম্মদের বিষয়ে এরূপ উক্ত হইয়াছে যে, তিনি হরা পর্বতের গুহাতে বসিয়া আরবের দুৰ্দশার বিষয়ে যখন চিন্তা করিতেন, তখন যাতনাতে অভিভূত হইয়া ক্ষণে ক্ষণে অচেতন হইয়া পড়িতেন । অনেক যত্ন করিয়া চৈতন্য সম্পাদন করিতে হইত। এই যাতনা এক এক সময়ে এত তীব্ৰ হইত। যে তিনি অর সাহা করিতে না। পারিয়া আত্মহত্যা করিবার ইচ্ছা করিতেন । ঐ মহাজনীদিগের -