বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:ধর্ম্মজীবন (প্রথম খণ্ড) - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/৩১৩

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

বদ্ধ ধৰ্ম্ম ও মুক্ত ধৰ্ম্ম । NOe সাধন-প্ৰণালী ও আধ্যাত্মিক ! ধৰ্ম্মজীবনের প্রারম্ভে তাহদের অস্তরে নিরস্তর সংগ্ৰাম চলিতে থাকে। আত্ম-সংযম, বৈরাগ্য, বিনয় এক একটী সাধন করিতে র্তাহাদিগকে কত চক্ষের জল ফেলিতে হয়, কত আত্ম-বলিদান করিতে হয়, কত আত্মপরীক্ষা, চিন্তাও প্রার্থনা করিতে হয় । অন্তরের এই সংগ্রামের প্রতিই তাঁহাদের প্রধান দৃষ্টি থাকে। এই সংগ্ৰাম যদি কোনও কারণে মন্দীভূত হয় তাহা হইলে ইহার বিপদ গণনা করেন, সেই আধ্যাত্মিক ক্ষুধামান্দ্য দর্শন করিয়া তাহারা আর সুস্থির থাকিতে পারেন না ; আত্মাকে পীড়িত জানিয়া তখনি তাহার উপায় বিধান করিবার জন্য ব্যগ্রী হন । বাহ্য সাধন এই উপায় মাত্ৰ,জগদীশ্বর আমাদের সকলেরই অস্তরে সময়ে সময়ে ব্যাকুলত ও সংগ্রামের উদয় করিয়া থাকেন ; তাহা তাহার আহবানধবনিস্বরূপ। তিনি যেন নিদ্রিত আত্মাকে ডাকিয়া বলেন—“আর কত আলস্য-শয্যায় শয়ন করিয়া ও থাকিবে ? উৎখান কর, জাগ্ৰত হও,” প্রেমিক সাধকগণ এই আহবানধবনি শুনিয়া তৎক্ষণাৎ ৷ উত্থিত হন, এবং সেই বাণীর অনুসরণ করেন ; কিন্তু সুখ-প্ৰিয় প্ৰকৃতি শুনিয়াও পার্শ্বপরিবর্তন করিয়া শয়ন করে। তাহার শাস্তি এই হয়, ঈশ্বরের প্ৰেম-মুখ সে হৃদয় হইতে অন্তহিত হইয়া যায়। হায় হায় ! এইরূপে আমরা কতবার ক্ষতিগ্ৰস্ত হইয়াছি, তঁহার আহবানধবনি শুনিয়াও অবহেলা করিয়াছিা! আপনাদের মৃত্যু আপনারা ডাকিয়া আনিয়াছি ! t বন্ধ ধৰ্ম্ম হইতে মুক্ত হইবার একমাত্র উপায় সত্য স্বরূপকে সত্যভাবে দৰ্শন করা। যতদিন মানুষ সত্যকে না দেখে