NORR ধৰ্ম্মজীবন । কি এক প্রকার বিরক্তির ও বিষাদের চসম পরিধান করে, বাহার দ্বারা সে সকলকেই বিদ্বেষের চক্ষে দেখে, সকলকেই বিরক্তির চক্ষে দর্শন করে। আমরা যে “নরপ্ৰেম” “নরপ্রেম’ বলিয়া চীৎকার করি, এই নিরপ্রেমিক হইবার জন্য, ধৰ্ম্মপথে চলিবার জন্য, মানুষের ভালরূপ পরিপাকক্রিয়া হওয়া আবশ্যক। আমি একবার একখানি পুস্তকে পাঠ করিয়াছিলাম যে কোনও এক ধৰ্ম্মসম্প্রদায়ে যখন কেহ দীক্ষার্থী হইয়া আসিত তখন অন্যান্য প্রশ্নের মধ্যে তাহাকে প্রশ্ন করা হইত যে, তাহার উত্তমরূপ পরিপাক হয় কি না । যখন আমি ইহা পাঠ করি, তখন প্রথমতঃ আমার কিছু আশ্চৰ্য্য বোধ হইয়াছিল, যে ধৰ্ম্মসম্প্রদায়ের দীক্ষার্থীকে আবার “তোমার ভালরূপ পরিপাক হয় কি না, রাত্রিকালে উত্তমরূপ নিদ্রা হয় কি না,” এ সকল প্রশ্ন কেন ? তৎপরে চিন্তা করিয়া দেখিয়াছি যে ধৰ্ম্মসাধনের জন্য এ সকলের অতিশয় প্রয়োজন । অজীর্ণদোষ ও অনিদ্রা ধৰ্ম্মসাধনের পক্ষে এক প্ৰধান প্ৰতি-বন্ধক । সুতরাং আমরা স্পষ্টই দেখিতে পাইতেছি যে ভৌতিক জগত ও আধ্যাত্মিক রাজ্যে অতি বিচিত্ৰ কাৰ্য সকল করিয়া থাকে। আবার এক আত্মার উপরে অপর আত্মার যে কাৰ্য্য তাহার প্ৰকৃতি ভাবিলেও আশ্চৰ্য্যান্বিত হইতে হয়। এই কারণেই সামাজিক উপাসনা আবশ্যক। যেখানে দশটী আত্মার শক্তি মিলিত হয় সেখানে অতি আশ্চৰ্য্য ফল ফলিয়া থাকে। আমরা মাঘোৎসবের সময় দেখিয়াছি সে সময়ে এই মন্দিরে এক প্রকার আশ্চৰ্য শক্তি কাৰ্য্য করিয়া থাকে। সে দিনের দৃষ্ঠ কি
পাতা:ধর্ম্মজীবন (প্রথম খণ্ড) - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/৩২৮
অবয়ব