499) ধৰ্ম্মজীবন । , তৎপরে তদনুযায়ী যত জ্ঞান আরোপ করিবে সকলই তাৎপৰ্য্যশালী হুইবে !! . “দিবীব চক্ষুরাততৎ” এই উক্তিটীকে আমরা আর এক ভাবে গ্ৰহণ করিতে পারি। চক্ষুর দর্শনক্রিয়ার বিষয়ে চিন্তা করিলে আমরা কি দেখিতে পাই ? আমরা দেখি যে, দর্শন ক্রিয়ার মধ্যে দ্রষ্টব্য পদার্থ ও দ্রষ্টা যে চক্ষু এই উভয়ের মধ্যে পরস্পরের সহিত কি আশ্চৰ্য্য উপযোগিতা আছে ? দ্রষ্টব্য পদার্থের রূপ এমনি, তাহার আলোক-রেখার প্রসারণের রীতি এমনি. যে, তাহা অদ্ভূতরূপে চক্ষুব্ধই উপযোগী, আবার চাক্ষর গঠন ও প্ৰকৃতি এমনি যে তাহ পদার্থ দর্শনের উপযোগী । প্রত্যেক দর্শনক্রিয়াতেই চক্ষু ও দ্রষ্টব্য পদার্থের মধ্যে অতি ঘনিষ্ঠ যোগ স্থাপিত হয়। তেমনই আত্মা ও পরমাত্মার মধ্যেও আশ্চৰ্য উপযোগিতা আছে। জীবাত্মা তঁহারই জন্য তিনিও জীবাত্মার জন্য ; এবং তঁহাকে জানিলেই আত্মা তাহার সহিত অভেদ্যযোগে আবদ্ধ হয়। আকাশে বিস্তৃত পদার্থকে চক্ষু যে ভাবে দেখে, সেইভাবে পরমাত্মাকে দেখিতে হইবে। ; এ উপদেশ বড় সামান্য নহে। একবার চিন্তা কর, কোনও বস্তুকে চক্ষুর দ্বারা একবার দেখিলে ব্যাপারটা কি দাঁড়ায়। মনে কর, তুমি স্বীয় বাসভবন করিবার জন্য একটী ভবন ক্রিয় করিয়াছ। তুমি সেই ভবনে বাস করিতে যাইতেছ। গিয়া দেখিলে যে, সে ভবনের প্রাঙ্গণের মধ্যস্থলে একটী প্ৰকাণ্ড বৃক্ষ আছে। সে বৃক্ষটীি দেখার পর আর কি তুমি এমনভাবে সে প্রাঞ্জণে গতায়াত করিতে পাের, যেন বৃক্ষটীি
পাতা:ধর্ম্মজীবন (প্রথম খণ্ড) - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/৩৭২
অবয়ব