বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:ধর্ম্মজীবন (প্রথম খণ্ড) - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/৯

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

তমোব বিদিত্বাতিমৃত্যুমেতি। VO দ্বারা অভিব্যক্ত হয়, কোনও কোনও পদাৰ্থ ইন্দ্ৰিয়দ্বয়ের সংস্পর্শে আসিয়া অভিব্যক্ত হয়, ইত্যাদি। যথা, পঞ্চভূতের মধ্যে ক্ষিতি, - রূপ, রস, গন্ধ, ও স্পর্শের দ্বারা আমাদের চিত্তের নিকটে অভিব্যক্ত হয় ; অপসা-রূপ, রস, ও স্পর্শের দ্বারা অভিব্যক্তি হয় ; তেজ,-রূপ ও স্পর্শের দ্বারা অভিব্যক্ত হয়, মরুৎ, স্পর্শের দ্বারা, আকাশ, শব্দের দ্বারা অভিব্যক্ত হইয়া থাকে। সেইরূপ পরমাত্মা আমাদের আত্মার চারি ইন্দ্ৰিয়ের সংস্পর্শে আসিয়া আমাদের নিকট অভিব্যক্ত হইয়া থাকেন । সে চারি ইন্দ্ৰিয়, জ্ঞান, শ্ৰীতি, বিবেক ও ইচ্ছা-শক্তি । এই চারিদ্বার দিয়াই সেই স্বপ্রকাশ পরম পুরুষ আমাদিগের নিকটে আপনাকে প্ৰকাশ করিয়া থাকেন । এখানে এক গুরুতর প্রশ্ন উঠিতেছে-পরমাত্মা আমাদের জ্ঞানের বিষয়ীভূত হইতে পারেন কি না ? কোন কোনও পণ্ডিতের মত এই ঃ-পরমাত্মসত্তা ও পরমাত্মস্বরূপ আমাদের জ্ঞানের বিষয়ীভূত হইতে পারে না । যেমন যদি কেহ বলে, বস্তুর দৈর্ঘ্য, প্ৰস্থ, বেধের অতিরিক্ত আর একটী পরিসর আছে, তবে যেমন তাহাকে বলিতে হয়, যে যদি এরূপ কোনও পরিসর থাকে, তাহা আমাদের জানিবার উপায় নাই, কারণ তাহার গ্রহণোপযোগী কোনও ইন্দ্ৰিয় নাই; সেইরূপ পরমাত্মার সম্বন্ধেও এই কথা বলিতে হয়—যদি এরূপ কেহ থাকেন, থাকিতে পারেন, কিন্তু আমাদের তাহাকে জানিবার কোনও উপায় নাই। তাহারা বলেন, আমাদের আত্মজ্ঞান সকল জ্ঞানের ভূমি ; আমরা আত্মাতে যাহা দেখি না, তাহা কি প্রকারে অন্যত্ৰ জানিতে