পাতা:ধর্ম্মসাধন.djvu/২০১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে চলুন অনুসন্ধানে চলুন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

আত্মগৌরব, দায়িত্ব ও পরনিন্দা। ১১৭ কাৰ্য্যে কু অভিসন্ধি না থাকিলেও যদি দেখা যায় যে, তাহাতে আমার হাত ছিল, অথচ অনবধানত প্রযুক্ত কুফল ফলিয়াছে, তাহা পাপ বলিয়া গণ্য । যদি কেহ আমার হস্তে একটী শিশুর ভার দিয়া যায়, আর আমার অসাবধানতায় শিশু ছাদ হইতে পড়িয়া মরে, এবিষয়ে আমার শৈথিল্য জন্ত আমি অবশু অপরাধী। কুঅভিসন্ধি ছিল না বলিয়া পার পাইতে পারি না,আত্মগ্লানি স্বভাবতঃ হৃদয়কে অস্থির করিয়া তুলে। ঈশ্বর চান যে, আমরা কেবল কুঅভিসন্ধি পরিত্যাগ করিয়া নিশ্চিন্ত থাকিব না। কিন্তু হৃদয়, মন, আত্মাকে এমন শাসন করিয়া রাখিতে হইবে, যে ভ্রম বা অযত্ন ক্রমেও অসত্যে পতিত হইব না। ঈশ্বরের নিকট অতি স্থল্ম বিচার ; যে অবস্থা আমাদের কর্তৃত্বাধীন, তজ্জনিত পাপের জন্য আমরা তাহার নিকট অপরাধী । প্র । পরনিন্দ পরোক্ষে করা উচিত কি না ? * উ। পরনিন্দ অর্থাৎ কাহার গ্লানি করিবার জন্য কুটিল অভিসন্ধি করিয়৷ কোন কথা বলা, সম্মুখে কি পরোক্ষে কখনই উচিত নয়। তবে যদি প্রয়োজন হয়, যেমন পুস্তকের দোষ । গুণ আলোচনা করা যায়, সেইরূপ দৃষ্টাস্তস্বরূপ নিরপেক্ষ ভাবে কোন লোকের ভালগুণ ও মন্দগুণ বলিতে দোষ নাই। কিন্তু ভীরুতা প্রযুক্ত কাহার দোষ সম্মুখে বলিতে না পারিয়া পরোক্ষে তাহার গ্রানি করা অত্যন্ত নীচতার লক্ষণ । প্র । পরনিন্দ অধিক কাহার করিয়া থাকে ? উ। যাহারা ভাল উপাসনা করিতে না পারে, তাহার। পরনিন্দ দ্বারা নিজের মনের অশান্তি মিটাইয়া থাকে । দ্বিতী