পাতা:নবজাতক-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.djvu/৩০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


নবজাতক স্পর্শ দেয় মনে, রক্ত উঠে অাবতিয়া বুকে, সে যুগের সুদূর সম্মুখে স্তব্ধ হয়ে ভুলি এই কৃপণ কালের দৈন্যপাশে জর্জরিত নতশির অদৃষ্টের অট্টহাসে গলবদ্ধ পশুশ্রেণীসম চলে দিন পরে দিন লজ্জাহীন । জীবন মৃত্যুর দ্বন্দ্ব মাঝে সেদিন যে ছন্দুভি মন্দ্রিয়াছিল, তার প্রতিধ্বনি বাজে প্রাণের কুহরে গুমরিয়া । নির্ভয় দুর্দান্ত খেলা মনে হয় সেই তো সহজ, দূরে নিক্ষেপিয়া ফেলা আপনারে নিঃসংশয় নিষ্ঠুর সংকটে । তুচ্ছ প্রাণ নহে তো সহজ, মৃত্যুর বেদীতে যার কোনো দান নাই কোনো কালে, সেই তো তুর্ভর অতি, আপনার সঙ্গে নিত্য বাল্যপনা দুঃসহ দুৰ্গতি । প্রচণ্ড সত্যেরে ভেঙে গল্পে রচে অলস কল্পনা নিষ্কমার স্বাকু উত্তেজনা, নাট্যমঞ্চে ব্যঙ্গ করি বীর সাজে তারস্বর আস্ফালনে উন্মত্তত করে কোন লাজে । তাই ভাবি হে রাজপুতানা কেন তুমি মানিলে না যথাকালে প্রলয়ের মান, লভিলে না বিনষ্টির শেষ স্বৰ্গলোক ; জনতার চোখ २रे