মবীনচন্দ্রের গ্রন্থাবলী । এক পার্শ্বে বেদীমূলে “সুশীলা শাৰ্দ্দলী নীরবে শাবক অঙ্গ করিছে লেহন অৰ্দ্ধ-নিৰ্মীলিত নেত্রে। অন্ত দিকে তথা অৰ্দ্ধ-নির্মীলিত নেত্ৰে বসিয়া নীরবে— *ঞ্জলোচন” “মলোচনা” কুরঙ্গযুগল, আশ্রমপালিত মৃগ –নীরব সকল। নীরব সে প্রকৃতির রাজ্য সুবিশাল । বহিতেছে ধীরে ধীরে শৈল সমীরণ নীরবে । নীরবে কাপে বৃক্ষপত্র দল। সকলই ধীর, স্থির, স্তম্ভিত, গম্ভীর, অ-বাতবিক্ষুব্ধ স্থির জলধির মত । নিৰ্মীলিতনেত্ৰে বসি মহর্ষি একাকী । সমুন্নত কলেবর ; শ্লথ করদ্বয় হস্ত পদ্মাসন-অন্ধে ; শ্বেত শ্বশুরাশি " অবক্ষ ; সজ্জিত শিরে জটার কিরীট । উন্নত ললাট স্বর্গ। মুখে মহিমার y স্থ প্রসন্ন হাসি, যেন কোন কুট তত্ত্ব সরল সিদ্ধান্তে এবে হয়েছে মথিত । স্তম্ভিতের মত স্থির রহিল চাহিয়া পার্থ বাসুদেব, চিত্ত ভক্তিতে অচল, সেই মহামূৰ্ত্তি পানে। কিছুক্ষণ পরে মহর্ষি মেলিল নেত্র। কৃষ্ণ ধনঞ্জয় প্ৰণমিয়া পদধূলি করিলে গ্রহণ, আশীধি মহর্ষি ধীরে স্বপ্রসন্ন মুখে, কহিলা বসিতে পাতি জিন আসন, লয়ে বৃক্ষশাখা হতে। বসিলা দুজন ।
পাতা:নবীনচন্দ্রের গ্রন্থাবলী (প্রথম খণ্ড).djvu/৮৫৫
অবয়ব