টেক্সী ভাড়া করে স্থানীয় একজন গুজরাতী ব্যবসায়ীর ঘরে গেলাম। যদিও গুজরাতী আদর-যত্ন করে আমাকে তার ঘরে স্থান দিলেন কিন্তু যখন কয়েকবার স্থানীয় পুলিশ আমার অনুসন্ধান করল তখন ব্যবসায়ীর পিলে ফাটবার উপগ্রম হল। তিনি আমাকে দ্বিপ্ররের পর পেট ভরে খাইয়ে একখানা মোটর এবং একজন ড্রাইভার দিয়ে বললেন “বাবু এই লোকটি আপনাকে ধ্বংসস্তূপ দেখিয়ে বিকেল চারটার সময় গাড়ী ধরিয়ে দিয়ে আসবে, কেমন?”
তাতেই রাজি হলাম, ভাবলাম যাদের পুলিশের এত ভয় তাদেরই জাত-ভাই আমি।
ড্রাইভার গাড়ী চালাল। সুন্দর পথে গাড়ী চলল। কতকক্ষণ যাবার পরই দেখতে পেলাম একস্থানে লেখা রয়েছে We could not say anything about the ruins, if you can please let us know, Our address is London W. C.—3. etc. etc. ঠিকানাটি নোট বইয়ে লিখে নিলাম তারপর ড্রাইভারকে বললাম খুব ধীরে গাড়ী চালাও। আমি ভাবছিলাম গাড়ীতেই একটু শুয়ে নেব কিন্তু ড্রাইভার যেই দেখল আমার চোখ বুজে গেছে সে অমনি গাড়ী ঘণ্টায় পঞ্চাশ মাইল বেগে গাড়ী চালিয়ে ধ্বংসস্তূপের সামনে এসে দাঁড়াল। তারপর সেও ঘুমিয়ে পড়ল।
আমার ছিল ক্লান্তির নিদ্রা। কতক্ষণ পরই ঘুম ভেংগে গেল। প্রবল পিপাসা হল। গাড়ীতেই ড্রাইভার প্রচুর জল এনেছিল। এদিকে এশিয়াটিকদের জলের ব্যবস্থা ছিল না শুধু ইউরোপীয়ানদের ব্যবহারের জন্যই জলের বন্দোবস্ত ছিল। যদি কোন নিগ্রোর জল পিপাসায় কাতর হ’ত এবং সে জলের জন্য ছট্ফট্ করত তাতে কারো এসে যেতনা। নিগ্রো জলের পাইপে হাত দিলে জলের বদলে বুলেট পেত। আমাদের