দেশেও মেথর শ্রেণীর লোক কূপ অথবা পাতকূপে স্নান করতে গেলে এমন কি পাতকূপের কাছে গেলেও গলাধাক্কা খায়।
জলের টিন হতে জল নিয়ে পেট ভরে খেয়ে বহাল তবিয়তে যখন সামনের দিকে তাকালাম তখন দেখতে পেলাম আমার সামনে এক বিরাট ধ্বংঅস্তূপ। এরূপ ধ্বংসস্তূপ আফ্রিকাতে আর দ্বিতীয়টি নেই। ধ্বংসস্তূপটি দেখেই মনে হল এটার সম্বন্ধে খামখেয়ালী মন্তব্য করা আর নিজের গলায় নিজে ছুরি বসান একই কথা। তাই ধীরে ধীরে অগ্রসর হলাম এবং যা দেখতে পেলাম তাই লিপিবদ্ধ করলাম।
ধ্বংসস্তূপের সামনে একটা প্রকাণ্ড দরজা। এরূপ দরজা আমাদের দেশের পার্বত্য দুর্গে দেখা যায়। গোয়ালিয়র দুর্গের সদর দরজার সংগে এই প্রবেশ পথের বেশ সাদৃশ্য রয়েছে। তারপরই একটি ধারণা আপনা হতে এসে গেল, সে ধারণা হল এটা কি আরবগণ তৈরী করেছিল, কারণ আরবদের দুর্গের সংগে এর অনেক সাদৃশ্য রয়েছে। এ ভাবটা বেশিক্ষণ স্থায়ী হল না। একটু কাছে যাবার পর আপনা হতেই হাসি পেল। মনে হল কোথায় রাজা-ভূজা আর কোথায় গঙ্গারাম তেলী। সিমেটিকদের এত ফ্যাশন করে পাথর কাটার ধৈর্য কখনও ছিল না। সিমেটিক সভ্যতার অনেক ইমারত এবং অনেক দুর্গ দেখেছি বলেই একথা সাহস করে বলতে সক্ষম হলাম।
আরব সভ্যতার মধ্যে আজ আনরা যে কারুকার্য দেখতে পাচ্ছি আরবদের তা নিজস্ব নয়। দ্রাবীড়দের কাছ থেকে ধার করা। সিমেটিক সভ্যতা জন্ম নেবার হাজার হাজার বৎসর পূর্বে দ্রাবিড়গণ আরব দেশে প্রবেশ করেছিল তার সমূহ প্রমাণ পাওয়া যায়।
সিমেটিক, আর্য, ফিনিসিও এসব সভ্যতা হল দরকারের দাস। দরকার হয়েছে একটা বিল্ডিং তৈরী করতে হবে তাতে ছোট বড় পাথর