বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:নিগ্রো জাতির নূতন জীবন - রামনাথ বিশ্বাস (১৯৪৯).pdf/১১৫

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।
১১১
নিগ্রো জাতির নূতন জীবন

পচতে আরম্ভ করেছিল। শুষ্ক ভূমির উপর যে পাথর দাঁড়িয়ে থাকে তা সহজে পচে না যা পচে তা শুধু রোদে এবং বর্ষায়। এরূপভাবে পাথর পচতে সহস্র বৎসর লাগে তা ভূতত্ববিদ্‌গণ অতি সহজে নির্ণয় করতে পারেন। অঙ্কটি অতি ছোট এবং সামান্য কিন্তু তার করমুলা জানা না থাকায় এখানে তার সঠিক সময় দিতে পারলাম না। বৃটিশ প্রত্নতত্ত্ববিদ্ ওয়ালস্ কেন যে সেই অঙ্কের সাহায্য নেননি তা বলা বড়ই কঠিন। হয়ত তিনি জাম্বাবী ধ্বংসস্তূপ সম্বন্ধে নীরব থাকতেই পছন্দ করেছিলেন। নীরবতার কারণ কি বলা বড়ই কঠিন।

 মন্দির হতে বের হয়ে পাহাড়ের উপরে স্থাপিত আর একটি মন্দিরের দিকে অগ্রসর হলাম, পথে অনেকগুলি স্থানে কে অথবা কাহারা ইচ্ছা করেই দেওয়াল ভেংগেছে বলে মনে হল। অনেকে বলেন যখন আরবগণ ইসলাম ধর্ম প্রচারার্থ স্পেনের দিকে অগ্রসর হয় তখন এক দল আরব আফ্রিকার ভেতর প্রবেশ করে যত প্রাচীন মন্দির ও মঠ পেয়েছিল তার সবই ধ্বংস করেছিল। তার প্রমাণ ন্যাসাহ্রদের তীরে অবস্থিত মন্দিরগুলি দেখলেই বুঝতে পারা যায়। ন্যাসা লেকের তীরের মন্দিরগুলির পাথর এবং জাম্বাবী স্তূপের পাথরের আয়তন এবং জাত একই। এই মন্দির লহরী যে একই সময়ে তৈরী হয়েছিল তাতে আর কোনও সন্দেহ নেই। কোন কোন পর্য্যটকের ধারণা এই মন্দিরগুলি আদিম যুগের গ্রীকগণ তৈরী করেছিল। আমি তাতে একমত হয়ে পারি না। গ্রীকদের তৈরী বহু পুরাতণ বিল্ডিং দেখেছি তাদের গৃহ গঠন পদ্ধতি অন্য ধরণের। তারা দরকার অনুযায়ী পাথর ব্যবহার করত কিন্তু এখানে তাড়াতাড়ি করে যে কোন পাথর ব্যবহার করা হয় নাই। একই সাইজের একই রঙ্গের পাথর ব্যবহার করা হয়েছে! এতেই প্রমাণিত হয় এসব ইমারত গ্রীকদের নয়, অন্য কারো দ্বারা তৈরী, গ্রীকদের গৃহ কার্যে