কিন্তু ভয় হল এই জানোয়ারগুলি আজই হয়ত কোনও নিগ্রো পরিবার সবংশে নির্বংশ করে তাদের দেবতার পূজা দেবে।
আর দাঁড়ালাম না, এগিয়ে চললাম। ঠিক করলাম পাশের কোন গ্রামে আজ পৌঁছতে হবেই। বিকেল চারটার পূর্বেই মহাদো হল্ট (Mahado Halt) নামে একটি ছোট্ট গ্রামে পৌঁছলাম। গ্রামেয় এক পাশে কতকগুলি নিগ্রো বাস করে, অপর পাশে দুটি মাত্র বুয়র পরিবারের বাস। এরা দক্ষিণ আফ্রিকার রডেসিয়া সীমান্তে আড্ডা গেরেছে। এমন অনেক বুয়র অর্থাৎ দক্ষিণ আফ্রিকাবাসী দেখা যায় যারা সভ্যতা পরিত্যাগ করে নিগ্রোদের সংগে একত্রে বসবাস করে জীবন কাটিয়ে দেয়। এই দুটি পরিবারের লোকও সে ধরণের মনে করেছিলাম, কিন্তু সেটা ছিল আমার ভুল ধারণা।
তারা আমাকে দেখল অথচ কিছুই জিজ্ঞাসা করল না। আমিও তাদের সংগে মেলামেশা করাটা নিরাপদ মনে করলাম না। নিগ্রোরা যেদিকে থাকে সেদিকেই চলে গেলাম। নিগ্রো বস্তির সামনে একজন বৃদ্ধ নিগ্রোর সংগে দেখা হল। বৃদ্ধ মিষ্টভাষী এবং দয়ালু। দেখা মাত্রই বুঝল আমি একজন অতিথি, অর্থাৎ রাত কাটাবার জন্য আশ্রয়প্রার্থী। সে আমাকে তার বাড়ীতে নিয়ে গেল এবং থাকবার ও রাত্রে যাহাতে ভাল খাদ্য পাই তার বন্দোবস্ত করল। বৃদ্ধ নিগ্রো জানত না আমার কাছে পাউণ্ড শিলিং আছে। সে তার সাধ্যমত খাবার এবং থাকবার বন্দোবস্ত করল। একটু বসতে দিয়েই সে কোথায় চলে গেল। ঘণ্টাখানেক সময় কাটিয়ে যখন ফিরে এল তখন দেখতে পেলাম অনেক খাদ্যসামগ্রী কিনে এনেছে। বৃদ্ধকে জিজ্ঞাসা করে জানলাম তার হাতে যে সওদা ছিল তার দাম কমের পক্ষে চার শিলিং। বৃদ্ধের হাতে চার শিলিং দিয়ে দিলাম। শিলিং চারটি পেয়ে সে আনন্দিত হল এবং বলল