পূর্বের নিগ্রোটিকে জিজ্ঞাসা করে হেড্ম্যানের ঘরে গেলাম। হেড্ম্যান তখন বাড়ীতে ছিল না। তার ঘরের দরজা বন্ধ ছিল। আমাদের দেশে ঘর বন্ধ করে যাবার সময় তালা লাগাতে ভুলি না। নিগ্রোদের দরজায় তালা দেওয়া হয় না। দরজা সাধারণত বাঁশের তৈরী থাকে। যে-কোন ঘরেরই দরজা বন্ধ থাকুক সে ঘরে পারতপক্ষে কেউ প্রবেশ করে না। মোড়লের ঘরের দরজার বসে থাকার চেয়ে যে নিগ্রোটি হেড্ম্যানের ঘর দেখিয়েছিল তার ঘরে চলে যাওয়াই ভাল মনে করে নিগ্রোটির হাতে এক শিলিং দিয়ে বললাম, চল তোমার ঘরে যাই এবং সেখানে গিয়েই বিশ্রাম করি। আমার কথা শুনে নিগ্রোটি ইতস্তত করছিল দেখে জিজ্ঞাসা করলাম, “কি হয়েছে?” নিগ্রো বললে, “বুঝতে পারছি না শিলিংটি দিয়ে কি করতে হবে।” ও-হো, সেই কথা, চল তোমার ঘরে যাই সেখানে গিয়ে শিলিং দিয়ে কি করতে হবে বলে দেব। নিগ্রো মাথা নত করে আমার সংগে চলল।
হেড্ম্যানের ঘর হতে নিগ্রো লোকটির ঘরে এসে আরও একটি শিলিং দিয়ে বললাম, দোকান হতে ডাল, রুটি, বিস্কুট নিয়ে এস। দুই শিলিং একসংগে পেয়ে নিগ্রোর আনন্দ হল। সে তার পরিচয় দিল এবং বলল, তার নাম কটে। কটে সওদা কিনতে বের হয়ে গেল। কটের স্ত্রীও লাকড়ির সন্ধানে বের হল। কটে ফিরে আসার পর তাকে বললাম, “তোমার স্ত্রী তোমার সংগে সংগেই বেরিয়ে গেছে, সে কি লাকড়ি আনতে গেল।” কটে বলল, শুধু লাকড়ি আনতে নয়। ভুট্টার আটাও আনবে। পথে তার সংগে দেখা হয়েছিল, আমি পুনরায় তাকে স্মরণ করিয়ে দিলাম ভুট্টার আটা আমি খাব না, আমার জন্য ভাত রান্না করতে হবে। সেজন্য আমি পুনরায় চাল, ডাল, লঙ্কা, নুন, মাখন এবং মাছের টিন আনতে শিলিং দিলাম। এদিকে ছেলে তিনটিকে বিস্কুট