দেওয়ায় তারা সুখী হয়ে আনন্দে নাচতে আরম্ভ করল, পরে বিস্কুট খাওয়ায় মন দিল।
তিনটি ছেলে বিস্কুট খাচ্ছে দেখে পাড়ার অন্যান্য ছেলেমেয়েরা বিস্কুটের জন্য বায়না ধরল না বটে কিন্তু তাদের চাহনীতেই বুঝতে পেরেছিলাম তারাও বিস্কুট চায়।
কটেকে যখন প্রথম একটি শিলিং দিয়েছিলাম তখন সে কিছুই বুঝতে পারছে না বলে ভাণ করছিল, দ্বিতীয় শিলিং হাতে পেয়ে সুখী হয়েছিল; তার কারণ খুঁজতেছিলাম। কারণ খুঁজে না পেয়ে অবশেষে কটেকেই জিজ্ঞাসা করলাম। কটে পরিষ্কার ভাবে বলল, একত্রে এক শিলিং কেউ তাদের দেয় না। যখনই কেউ দেয়, মনে করতে হবে এই দেওয়ার পেছনে মস্তবড় একটা মতলব আছে। যখন সে বুঝল আমার শিলিং দেওয়ার পেছনে কোন বদ মতলব নাই তখন সে সুখী হতে পেরেছিল।
আমরা যখন চা খাচ্ছিলাম তখন কটের স্ত্রী ফিরে আসল। স্ত্রীকে দেখা মাত্র কটে এমন একটি ভাব দেখাল যেন সে আমাকে তার ঘরে ডেকে এনে মহা অন্যায় করেছে। কটের স্ত্রী আমাকে দেখে রাগ করল না। তার তিনটি শিশুকে আমার কাছে বসা দেখে সুখী হল। সকলের বড়টির পিতা অন্য আর একজন নিগ্রো। তাকে নাকি কটে কখনও দেখে নাই। দ্বিতীয় স্বামীকে কটের স্ত্রী তারই সামনে বিদায় করে দিয়ে তাকে রেখেছে। কটের স্ত্রী কখন তাকে বিদায় করে এই ভয়েই সে অস্থির থাকে। কটের দুরবস্থা দেখে কটেকে বললাম, তোমার স্ত্রীকে চা দাও তবেই তুমি সমস্ত বিপদ হতে রেহাই পাবে। কটে তৎক্ষণাৎ নিজের মাটির হাড়ীটা তাড়াতাড়ি শেষ করে স্ত্রীর জন্য চা ঢেলে দিল। স্ত্রী লিপ্টন চা বোধহয় কখনও খায় নাই। সেজন্য চা একটু খেয়েই উঠে