আমরা হত্যা করি তখনই সেটাকে একটু আড়ালে নিয়ে গিয়ে হত্যা করাই হল আমাদের নিয়ম। জীব হত্যা করতে গিয়ে আমরা কোনরূপ ধর্মের নিয়মকানুন মানি না। জীবহত্যা করা নির্মম কাজ, সেই কাজটি লোকের সামনে করতে আমরা রাজি নই। আপনাদের দেশের লোক জীব হত্যায় আনন্দ পায় তা ব্যরাতে দেখেছি। আমরা কিন্তু হত্যায় আনন্দ পাই না বাধ্য হয়ে জীব হত্যা করি, আনন্দ করার জন্য আরও অনেক কিছু আছে।
আমরা যখন খাচ্ছিলাম তখন নিগ্রো লোকটিকে জিজ্ঞাসা করলাম “লোকান্তরালে জীবহত্যা করাটা কি ইউরোপীয়ান সভ্যতা না নিগ্রো সভ্যতা?
এটা নিগ্রো সভ্যতা কি ইউরোপীয়ান সভ্যতা আপনি স্বচক্ষে দেখতে পাবেন দক্ষিণ রডেসিয়ায়।
দক্ষিণ রডেসিয়ায় ভ্রমণ করার সময় অনেক গ্রামে থাকতে হয়েছিল এবং এ বিষয়ে যে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছিলাম তাতে এ বিষয়ের কোন উপযুক্ত প্রমান পাই নাই কিন্তু যখন দক্ষিণ রডেসিয়ার দক্ষিণ দিকে গ্রামের পর গ্রাম অতিক্রম করতে ছিলাম তখন বুঝতে পেরেছিলাম একেবারে উলংগ স্ত্রীলোক যারা, সভ্যতার নাম গন্ধও অনুভব করে নাই তারা ও কোন জীবহত্যা দেখতে প্রস্তুত নয়, অথচ তাদের একমাত্র খাদ্য হল পশুর মাংস। এটা নিশ্চয়ই স্ত্রী প্রকৃতি। কিন্তু যে দিন থেকে ধর্মের প্রভাব পৃথিবীতে বাড়তে আরম্ভ করছিল সেদিন থেকে স্ত্রী প্রকৃতিরও পরিবর্তন হয়েছিল। বর্তমানে কালীঘাটে যখন আমরা যাই তখন দেখতে পাই স্ত্রীলোক অবলীলাক্রমে পশু হত্যা দেখছে এবং পশু হত্যার বদলে নিজের সন্তানের মঙ্গল কামনা করছে।
খাওয়ার শেষে কতকক্ষণ বিশ্রাম করলাম। নিগ্রো নিজেই বলল